ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছেন আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার মেসি। বৈশ্বিক এই আসরে ২৬ ম্যাচে ১৩টি গোল করেছেন এই আর্জেন্টাইন তিনি। বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোসার ধারণা, তার ১৬ গোলের রেকর্ডটি বেশিদিন টিকে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।
এর সবচেয়ে কাছাকাছি লিওনেল মেসি। ক্লোসার চাওয়া আর্জেন্টাইন মহাতারকার হাতেই উঠুক তার রেকর্ডটি। বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা ১৬। এসব গোলই তিনি বক্সের ভেতর থেকে করেছেন, যার মধ্যে সাতটি হেডের সহায়তায় করেছেন।
২০০২ ২০১৪ সালের ফাইনালে গোল করতে না পারলেও, তার পাঁচটি গোল এসেছে নকআউট পর্বে। টুর্নামেন্টে তার শেষ গোলটি এসেছিল ২০১৪ সালের সেমিফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে জার্মানির ৭-১ গোলের জয়ে। অন্যদিকে মেসির গোল সংখ্যা ১৩।
আর্জেন্টিনার এই অধিনায়ক ২০২২ বিশ্বকাপে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোল ইনভলভমেন্টের (১০টি – সাতটি গোল, তিনটি অ্যাসিস্ট) রেকর্ড গড়েন এবং দলকে শিরোপা জেতান। কিন্তু তিনিই একমাত্র ফুটবলার নন যিনি এই বিশেষ রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লেখাতে চাইবেন।
ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপেও আছেন, যিনি গত দুটি বিশ্বকাপে অন্য যেকোনো ফুটবলারের চেয়ে বেশি গোল (১২) এবং বেশি গোলে অবদান (১৪) রেখেছেন, যার মধ্যে ২০২২ সালের ফাইনালে একটি হ্যাটট্রিকও রয়েছে। ক্লোসে ২০১৪ সালে রোনাল্ডো নাজারিওর কাছ থেকে রেকর্ডটি ছিনিয়ে নেন। কিন্তু তিনি আশা করেন, ২০২৬ সালের টুর্নামেন্টের শেষেও তিনি এই পরিসংখ্যানে শীর্ষে থাকবেন।
তিনি সুডডয়েচে জাইটুংকে বলেন, আমি আশা করি এই বিশ্বকাপে আমার রেকর্ডটি ভাঙা হবে। এটি একটি বর্ধিত সংস্করণ। এখানে আরও বেশি ম্যাচ এবং সেই কারণে গোল করার আরও বেশি সুযোগ রয়েছে। মেসি এবং এমবাপে দুজনেই অনেক দূর যাবে। যদি এমনটা হয় তবে মেসি ভাঙলে আমি খুশি হব। আমি বরাবরই তার একজন বড় ভক্ত, সে একজন জিনিয়াস।
আর্জেন্টিনা ১৬ই জুন গ্রুপ ‘জে’-তে আলজেরিয়ার বিপক্ষে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। অন্যদিকে ফ্রান্স সেনেগালের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে।

