ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপ ঘিরে গতি বেড়েছে। পাকিস্তানের তৎপরতায় নতুন আশার ইঙ্গিত মিলছে। শিগগিরই ইসলামাবাদে বৈঠক হতে পারে।
পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, ইসলামাবাদে আলোচনার প্রস্তুতি এগোচ্ছে।
সাবেক কূটনীতিক জামিল খান বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে আসতে পারে। ইরানের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে উপস্থিত হবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
তিনি জানান, শুরুতে ইরান তাদের দাবির তালিকায় লেবানন ইস্যুকে শীর্ষে রেখেছিল। তারা চাইছিল, যুদ্ধবিরতির আলোচনায় এটিকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনাকে ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র পৃথক আলোচনার পথ তৈরি করে এই জটিলতা কমিয়েছে। এর ফলে দুই সংঘাতকে আলাদা করে আলোচনা এগোনোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।
জামিল খানের মতে, পরবর্তী বৈঠকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ইস্যুই প্রধান হয়ে উঠবে। এর হ্রাস ও অপসারণ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন চুক্তি আগের চুক্তির চেয়ে অনেক ভালো হবে।
তিনি বলেন, এই চুক্তি শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
এর আগে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে গিয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

