বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্রাজিল ও মরক্কো ১ ১ গোলে ড্র করেছে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। তবে পরিসংখ্যান বলছে ম্যাচে চাপ ও আক্রমণে কিছুটা এগিয়ে ছিল মরক্কো।
ম্যাচে মরক্কো ১৩টি শট নেয় যার মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে ব্রাজিল শট নেয় ৮টি যার মধ্যে ৫টি অন টার্গেটে ছিল। বল দখলে ব্রাজিল এগিয়ে ছিল ৫৪ শতাংশে, মরক্কো ছিল ৪৬ শতাংশে।
ম্যাচের ২১তম মিনিটে মরক্কো এগিয়ে যায় ইসমাইল সাইবারির গোলে। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে আসা সেই গোলে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ কিছুটা অগোছালো ছিল। তবে ৩২তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একক নৈপুণ্যে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান।
রক্ষণ ও মাঝমাঠের লড়াইয়ে মরক্কো বেশ সংগঠিত ছিল। তাদের প্রেসিংয়ে ব্রাজিল মাঝেমধ্যে বল হারিয়েছে এবং দ্রুত আক্রমণ গড়তে সমস্যায় পড়েছে। অন্যদিকে ব্রাজিল বল দখল ধরে রাখলেও ফাইনাল থার্ডে ধার কম দেখা গেছে।
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রই ম্যাচে ব্রাজিলের প্রধান ভরসা হিসেবে সামনে আসেন। নেইমারহীন দলে তার ড্রিবলিং ও গতি একাধিকবার মরক্কোর রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করে।
আনচেলত্তির জন্য এটি ছিল প্রথম বড় পরীক্ষা। ড্র ফলাফলে পুরোপুরি সন্তুষ্ট না হলেও ম্যাচে কিছু ইতিবাচক দিকও পেয়েছে ব্রাজিল শিবির। বিশেষ করে ভিনিসিয়ুসের ফর্ম ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ।
মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে বড় দলের বিপক্ষে তারা সহজ প্রতিপক্ষ নয়। তাদের সংগঠিত রক্ষণ ও দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক ভবিষ্যতে বড় দলগুলোর জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
পরিসংখ্যানের দৃষ্টিতে বল দখলে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও আক্রমণের কার্যকারিতা ও শটের সংখ্যায় মরক্কো কিছুটা আধিপত্য দেখিয়েছে। ফলে ম্যাচটি ছিল পুরোপুরি ভারসাম্যপূর্ণ এক লড়াই।

