‘থ্রি ইডিয়টস’ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে পুরো হল ভাড়া করলেন পাকিস্তানি যুবক

0
‘থ্রি ইডিয়টস’ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে পুরো হল ভাড়া করলেন পাকিস্তানি যুবক

বলিউডের দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত উদ্যোক্তা ফারজা মাজিদ।

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে বসবাসকারী এই উদ্যোক্তা আগামী ২৪ মে শহরের ঐতিহ্যবাহী মেরিনা থিয়েটারে ছবিটির একটি বিশেষ শো আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। জানা গেছে, এ আয়োজনের জন্য তিনি ২৫০ আসনবিশিষ্ট পুরো প্রেক্ষাগৃহই ভাড়া নিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ফারজা মাজিদ লেখেন, ‘আমি সান ফ্রান্সিসকোতে ২৫০ আসনের একটি থিয়েটার ভাড়া নিয়েছি সর্বকালের অন্যতম সেরা ছবি “থ্রি ইডিয়টস” প্রদর্শনের জন্য।’ 

তিনি আরও লেখেন, ‘এটি ভারতের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তিন বন্ধুর জীবনের গল্প, যারা নিজেদের ভবিষ্যৎ ও জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। আপনি যদি জীবনের কোনো অচলাবস্থায় থাকেন, অনুপ্রেরণা খুঁজে থাকেন কিংবা শুধু একটু হাসতে চান, তাহলে এসে ছবিটি দেখতে পারেন।’

পরবর্তী এক পোস্টে ফারজা জানান, প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হবে রোববার, ২৪ মে। প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য একটি করে টিকিট বরাদ্দ থাকবে এবং ছবিটি সাবটাইটেলসহ প্রদর্শন করা হবে। যারা এখনো ছবিটি দেখেননি, তাদের জন্য তিনি এটি দেখার বিশেষ পরামর্শও দেন।

ফারজার পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে মন্তব্যে ‘থ্রি ইডিয়টস’কে ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র বলে উল্লেখ করেন। একজন লেখেন, ‘ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সেরা ছবি এটি, অবশ্যই দেখা উচিত।’ 

আরেকজন জানতে চান, ‘আমি কি আসতে পারি?’ জবাবে ফারজা মজার ছলে লেখেন, ‘হ্যাঁ, তুমি আমার পাশেই বসতে পারো।’

আরেকজন ব্যবহারকারী জানান, তিনি অনেক দিন ধরেই অনলাইনে ছবিটি খুঁজছিলেন; কিন্তু কোথাও পাচ্ছিলেন না। এই আয়োজনকে তিনি ‘অদ্ভুত এক কাকতালীয় আনন্দ’ বলে বর্ণনা করেন। কেউ কেউ আবার ছবির শুটিং লোকেশনের স্মৃতিও তুলে ধরেন মন্তব্যে।

রাজকুমার হিরানি পরিচালিত ‘থ্রি ইডিয়টস’ মুক্তি পায় ২০০৯ সালে। চেতন ভগতের উপন্যাস ‘ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান’ অবলম্বনে নির্মিত ছবিটিতে অভিনয় করেন আমির খান, আর মাধবন, শারমান যোশী ও কারিনা কাপুর। ছবিতে আমির খানের চরিত্রটি অনুপ্রাণিত হয়েছিল লাদাখের শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী ম্যাগসাইসাই পুরস্কারপ্রাপ্ত সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে।

সূত্র: এনডিটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here