তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

0
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

তিস্তা নদীর পানি রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে (৫২.২২ সেন্টিমিটারে) প্রবাহিত হচ্ছে। বিগত তিন ঘণ্টায় এখানে পানি ১৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, রাত ১০টা পর্যন্ত তিস্তার পানি বেড়ে স্থিতিশীল হতে পারে এবং পরবর্তীতে তা হ্রাস পেতে পারে।

পূর্বাভাস কেন্দ্র আরও জানায়, উজানে ভারতের দোমুহুনি পয়েন্টে পানির সমতল ৮৫.৮৪ মিটার এবং গজলডোবা পয়েন্টে ১০৯.৮০ সেন্টিমিটার। তবে বিগত তিন ঘণ্টায় দোমুহুনিত ৩ সে.মি. এবং গজলডোবায় ১৫ সে.মি. পানি হ্রাস পেয়েছে।

জানা গেছে, গত সপ্তাহে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় রংপুর অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তখন পানির তোড়ে গঙ্গাচড়ায় সেতু রক্ষা বাঁধ ও গ্রোয়েন বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। এর রেশ কাটতে না কাটতেই উজানের ঢলে আবারও তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, ঘাঘট, ধরলা ও যমুনেশ্বরী নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। মূলত ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে আবহাওয়া অফিস রংপুর বিভাগে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে তিস্তা অববাহিকার ৫ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, আগামী ৩ দিন রংপুরে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের তথ্য জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

এছাড়া আগামী ১ থেকে ৩ জুলাইয়ের মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং এর ফলে সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here