বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) গত এপ্রিল মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৮৩ কোটি ২০ লাখ ৫১ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন প্রকারের চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম এতথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এপ্রিল মাসে জব্দ চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- স্বর্ণ, ডায়মন্ড, শাড়ি, থ্রিপিস, শার্টপিস, চাদর, কম্বলসহ নানা ধরনের তৈরি পোশাক, থান কাপড়, কসমেটিক্স সামগ্রী, ইমিটেশন গহনা, আতশবাজি, কাঠ, চা পাতা, সুপারি, কয়লা, পাথর, বালু, মোবাইল, মোবাইলের ডিসপ্লে, মোবাইলের যন্ত্রাংশ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, চশমা, জিরা, চিনি, বিভিন্ন প্রকার খাদ্যসামগ্রী, রসুন, সার, কীটনাশক, চকোলেট, গরু ও মহিষ, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান, মাহেন্দ্রা গাড়ি, পিকআপ, প্রাইভেটকার ও বাস, ট্রলি ও মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক, মোটরসাইকেল এবং বাইসাইকেল ও ভ্যান।
অভিযানে ৬টি দেশি-বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, রাউন্ড গোলাবারুদ, মাইন, মর্টার শেল, হাত বোমা, ককটেল এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ছাড়াও গত মাসে বিজিবি বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। এসব মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে- ইয়াবা ট্যাবলেট, হেরোইন, ফেনসিডিল, বিদেশি ও বাংলা মদ, বিয়ার, গাঁজা, বিড়ি ও সিগারেট, নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ইনজেকশন, বিভিন্ন ধরনের সিরাপ, এ্যানেগ্রা ও সেনেগ্রা ট্যাবলেট এবং মদ তৈরির বড়ি ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ-ট্যাবলেট।
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪৯ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের অপরাধে ৮৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক, দুই জন ভারতীয় নাগরিক এবং ৫৪৫ জন মায়ানমার নাগরিককে আটক ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

