আবারও গ্লোবাল কোয়ালিফিকেশন প্রক্রিয়া চালু করছে আইসিসি

0
আবারও গ্লোবাল কোয়ালিফিকেশন প্রক্রিয়া চালু করছে আইসিসি

সহযোগী সদস্য দেশগুলোর জন্য আবারও গ্লোবাল কোয়ালিফিকেশন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করার কথা ভাবছে আইসিসি। স্থানীয় সময় শনিবার (৩০ মে) ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত আইসিসি সদস্যদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই গ্লোবাল কোয়ালিফায়ারগুলো হবে ভবিষ্যতের পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য।

ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে বলা হয়েঝে, রবিবার (৩১ মে) সকালে শহরে পুনরায় বৈঠকে বসবে আইসিসি। বৈঠকে গ্লোবাল কোয়ালিফিকেশন প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর অনুমোদন দেবে। জুলাই মাসে এডিনবার্গে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি বার্ষিক সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে কিনা তা জানা যায়নি। তবে সহযোগী সদস্যদের জন্য গ্লোবাল কোয়ালিফায়ার পুনরায় শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গ্লোবাল কোয়ালিফায়ার পুনরায় চালু করার পেছনে আইসিসির এই উদ্যোগের একটি প্রধান কারণ হলো সহযোগী দেশগুলোর ক্রিকেটের প্রতি দর্শকদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ। একসময় যেখানে সহযোগী দেশগুলোর ম্যাচগুলো পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর ম্যাচের তুলনায় প্রায় আট গুণ কম দর্শক আকর্ষণ করত। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ভারতের ম্যাচগুলো বাদ দিলে এই ব্যবধান নাটকীয়ভাবে কমে প্রায় দেড় গুণে দাঁড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় বাছাইপর্বের টুর্নামেন্টটি আগেও চালু ছিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ২০১৯ সালের আসরের পর তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। নেদারল্যান্ডস সেই টুর্নামেন্টে বিজয়ী হয়েছিল, যার মাধ্যমে ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সহযোগী দলগুলো নির্ধারিত হয়। মহামারির কারণে টুর্নামেন্টটি অবশেষে এক বছর পর, ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

২০১৯ সাল থেকে পাঁচটি আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে সহযোগী দলগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচটি আঞ্চলিক বাছাইপর্ব টুর্নামেন্টের মাধ্যমে আটটি দল যোগ্যতা অর্জন করেছিল। আমেরিকা অঞ্চলকে একটি স্থান বরাদ্দ করা হয়েছিল, যেখান থেকে কানাডা যোগ্যতা অর্জন করে।

ইউরোপ এবং আফ্রিকাকে দুটি করে স্থান বরাদ্দ করা হয়েছিল, যেখান থেকে যথাক্রমে নেদারল্যান্ডস, ইতালি, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়া পরবর্তী পর্বে উত্তীর্ণ হয়। সম্মিলিত এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়া-প্যাসিফিক পথজুড়ে তিনটি স্থান পাওয়ার সুযোগ ছিল, যেখান থেকে নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান যোগ্যতা অর্জন করে।

প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর আইসিসি কোথায় এবং কখন গ্লোবাল কোয়ালিফায়ার আয়োজন করবে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করা চ্যালেঞ্জমুক্ত নাও হতে পারে। অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে আয়োজিত হওয়া ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য কিছু আঞ্চলিক বাছাইপর্বের ইভেন্ট ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না আশরাফ ও তামিম

এদিকে আফগানিস্তানের মিরওয়াইস আশরাফ এবং বাংলাদেশের তামিম ইকবাল ভিন্ন ভিন্ন কারণে বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না। ইসিবি-র রিচার্ড থম্পসন যার প্রথমে অনলাইনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, তিনি আহমেদাবাদে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। আহমেদাবাদে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কোনো প্রতিনিধি নেই এবং এর চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি রবিবারের বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নিতে পারেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির প্রধান তামিম ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে তিনি বিসিবির শীর্ষ পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে বিসিবি সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী গতকাল সন্ধ্যায় আহমেদাবাদে পৌঁছেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here