আইপিএলর চলতি আসরের মধ্যে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিপক্ষের সিরিজের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচের এই ওয়ানডে সিরিজটি আইপিএলের প্লে-অফের সঙ্গে একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে আগামী ৩০ মে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজের পরের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২ এবং ও ৪ জুন লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটি অস্ট্রেলিয়ার দল নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের তাদের নিজ নিজ ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট থেকে বাদ না পড়া পর্যন্ত ফিরিয়ে আনা যাবে না।
গতকাল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) প্লে-অফের সময়সূচী ঘোষণা করেছে। ২৬শে মে কোয়ালিফায়ার ১ এবং ২৭শে মে এলিমিনেটর অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৯শে মে কোয়ালিফায়ার ২ এবং ৩১শে মে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে।
লখনউ সুপার জায়ান্টস (এলএসজি) নয়টি ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে হেরে পয়েন্ট টেবিলের একেবারে তলানিতে থাকায় দলটির জশ ইংলিস এবং মিচেল মার্শের স্কোয়াডে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আর একটি হারলেই এলএসজি প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে যাবে।
সিরিজকে সামনে রেখে ২৩ মে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছাবে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের অন্তত প্রথম ওয়ানডেতে কয়েকজন খেলোয়াড় খেলতে না-ও পারেন। অন্যরা তাদের কাজের চাপ বিবেচনা করে দলে যোগ দিতে পারেন বা বিশ্রাম নিতে পারেন।
চেন্নাই সুপার কিংসের শর্ট দলের নিয়মিত সদস্য নন, অন্যদিকে তার সতীর্থ জনসন আহত নাথান এলিসের পরিবর্তে দলে এসেও এই মৌসুমে এখনও কোনো ম্যাচ খেলেননি। পাঞ্জাবের কিংসের ডোয়ারশুইস এবং ওয়েন এখনও কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজেলউড এবং হেড তাদের কাজের চাপ সামলাতে শুধু পাকিস্তান নয়, বাংলাদেশ সফরও মিস করতে পারেন।
অন্যদিকে বাংলাদেশের মাটিতে তিনটি ওয়ানডে ৯ই জুন থেকে ১৪ই জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ১৪ই জুন শুরু হয়ে ২১শে জুন শেষ হবে। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়ার দ্রুত বিদায়ের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

