বিশ্বকাপের মঞ্চে অনেক সময় একটি ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠে একজনই। ক্যানসাস সিটি চিফসের স্টেডিয়ামে তেমনই এক রাত কাটালেন কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলোয় রুম। ইকুয়েডরের লাগাতার আক্রমণ সামলে তিনি একাই লিখে দিলেন ড্রয়ের গল্প।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য ছিল ইকুয়েডরের। গ্যালারির বেশির ভাগ অংশও ছিল তাদের সমর্থকদের দখলে। কিন্তু সুযোগ তৈরি করেও গোল আদায় করতে পারেনি তারা, কারণ সামনে ছিলেন এক অপ্রতিরোধ্য দেয়াল।
৩৭ বছর বয়সী রুম পুরো ম্যাচে মোট ১৫টি সেভ করেন। প্রথমার্ধে এনের ভ্যালেন্সিয়ার কাছ থেকে শুরু করে দ্বিতীয়ার্ধে মইসেস কাইসেদোর শক্তিশালী শট পর্যন্ত সবকিছুই ঠেকিয়ে দেন তিনি। একাধিক কর্নার ও রিবাউন্ড আক্রমণেও তার প্রতিক্রিয়া ছিল অসাধারণ।
বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডরের চাপ যখন বেড়ে যায়, তখন রুম যেন আরও দৃঢ় হয়ে ওঠেন। ভ্যালেন্সিয়ার হেড ও পরপর দুটি শট রুখে দিয়ে তিনি কুরাসাওকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।
অন্যদিকে কুরাসাওও সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে শেষ মুহূর্তের ফিনিশিংয়ের অভাবে তারা এগিয়ে যেতে পারেনি। তবুও ডিক অ্যাডভোকাটের দল রক্ষণে সংগঠিত ছিল এবং প্রতিপক্ষের চাপ সামাল দিতে সক্ষম হয়।
শেষ পর্যন্ত এই গোলশূন্য ড্র কুরাসাওয়ের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন হয়ে থাকে। বিশ্বকাপে এটিই তাদের প্রথম পয়েন্ট, আর সেই অর্জনের পেছনে সবচেয়ে বড় নাম নিঃসন্দেহে এলোয় রুম।

