গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকালে শহরের ‘বড় মসজিদ’ প্রাঙ্গণ থেকে একটি গণমিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে এসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। ‘তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক চরাঞ্চলের বাসিন্দা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, কৃষক, শ্রমজীবী ও কমিটির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, তিস্তামুখ ঘাট-বাহাদুরাবাদ ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন নবী টিটুল, কমিটির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু, ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, গজারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিনসহ কমিটির অন্যান্য নেতারা।
এ সময় বক্তারা বলেন, ‘তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ রুটটি উত্তরবঙ্গের যোগাযোগের প্রাণকেন্দ্র। ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চরের মানুষের দুঃখ লাঘবে এই রুটে প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্লোজারের কাজ শুরু করেছিলেন। আজ চরের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি, যাতায়াত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কৃষিভিত্তিক ইপিজেড এবং চর ট্যুরিজম বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহীদ জিয়ার সেই অসমাপ্ত স্বপ্নের বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা।
বক্তারা চলমান জাতীয় বাজেট অধিবেশনেই এই প্রকল্পের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে উত্তরবঙ্গের অবহেলিত কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

