বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স

0
বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে এমবাপ্পেদের দাবি মেনে নিল ফ্রান্স

বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে খেলোয়াড়দের বোনাস ও পরিবারের সদস্যদের জন্য টিকিট বরাদ্দ নিয়ে ফ্রান্স এবং ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফএফ) মধ্যে চলমান বিরোধের অবসান হয়েছে। অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বে খেলোয়াড়েরা শেষ পর্যন্ত এ বিষয়ে ফেডারেশনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছেন।

উত্তর আমেরিকায় চলমান বিশ্বকাপ প্রস্তুতির শুরু থেকেই পারফরম্যান্স বোনাস এবং খেলোয়াড়প্রতি টিকিট বরাদ্দ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। প্রথম দফার আলোচনায় কোনো সমাধান না হওয়ায় এমবাপ্পে এবং আরও তিন খেলোয়াড়ের প্রতিনিধিত্বে ফ্রান্স দলের পক্ষ থেকে এফএফএফ সভাপতি ফিলিপ দিয়ালোর কাছে একটি পাল্টা প্রস্তাব দেওয়া হয়।

ফরাসি দৈনিক লে’কিপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খেলোয়াড়দের বোনাস-সংক্রান্ত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন দিয়ালো। যদিও বোনাসের নির্দিষ্ট অঙ্ক প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তা গত বিশ্বকাপের তুলনায় কম হবে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে রানার্সআপ হওয়ায় ফ্রান্সের প্রত্যেক খেলোয়াড় ৫ লাখ ইউরো বোনাস পেয়েছিলেন। এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৪ লাখ ইউরো পুরস্কার দেয় এফএফএফ।

লে’কিপ আরও জানিয়েছে, ২৬ সদস্যের দলে থাকা অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের অনেকেই তাঁদের প্রাপ্ত বোনাসের পুরোটা বা একটি অংশ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে কিংবা কোচিং স্টাফের সদস্যদের মধ্যে দান করে থাকেন।

টিকিট বরাদ্দের বিষয়েও সমাধান এসেছে। শুরুতে ব্যয় কমানোর উদ্দেশ্যে ফেডারেশন ঘোষণা দিয়েছিল, প্রত্যেক খেলোয়াড় প্রতি ম্যাচে পরিবারের সদস্যদের জন্য দুটি করে বিনা মূল্যের টিকিট পাবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত মূল্যে আরও ছয়টি টিকিট কেনার সুযোগ থাকবে। গ্রুপ পর্বে এসব টিকিটের মূল্য ৫০০ ইউরো থেকে শুরু হয়ে ফাইনালের ক্ষেত্রে ৭ হাজার ইউরোর বেশি নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ফেডারেশনের এই প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট ছিলেন খেলোয়াড়েরা। পরে আলোচনার পর সভাপতি দিয়ালো প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য চারটি করে বিনা মূল্যের টিকিট বরাদ্দে সম্মত হন। অতিরিক্ত টিকিট কেনার সুযোগও বহাল থাকছে। তবে এই সুবিধা ২০২২ বিশ্বকাপের তুলনায় কিছুটা কম। ১৭ জুন নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ফ্রান্স। ‘আই’ গ্রুপে তাদের বাকি দুই প্রতিপক্ষ নরওয়ে ও ইরাক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here