বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অবতরণের পর সেনেগাল ও উজবেকিস্তানের পর এবার ব্রাজিল ফুটবল দলকেও অভূতপূর্ব ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের ‘অপমানজনক’ ও ‘কঠোর তল্লাশি’ নামের এই হয়রানি বিশ্বব্যাপী নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
গ্লোবো জানিয়েছে, পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা একটি ব্যাপক অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।মার্কিন সীমান্ত কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা পরিষেবাগুলো তারকা ফুটবলার নেইমারসহ কাউকে ব্যতিক্রম করেনি এবং পরো টিমকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিদর্শন করেছে।
এ সময় ফুটবলার, কোচিং স্টাফ এবং সহায়ক কর্মীসহ প্রত্যেককে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল।স্ক্যানিংয়ের জন্য তাদের সমস্ত লাগেজ ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র জমা দিতে হয়েছিল। পরিদর্শনের জন্য তাদের জুতোও খুলতে হয়েছিল, ঠিক অন্য সবার মতোই।
অন্যদিকে মেট্রোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সান আন্তোনিও, টেক্সাস এবং নিউইয়র্কসহ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অবতরণের পর দলগুলোকে কঠোর নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে।
এর আগে ১৬ জুন ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগে সেনেগাল দলের ফুটবলারদের ব্যাগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করা হয়েছিল। এছাড়াও উজবেকিস্তানের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা তল্লাশি পার হওয়া সত্ত্বেও তাদের শুঁকে শনাক্তকারী কুকুর এবং মেটাল ডিটেক্টরের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এমনকি কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দোহাই দিয়ে বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও একজন সোমালি রেফারিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।

