ব্রহ্মপুত্রসহ বন্যাপ্রবণ নদ-নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনো তা বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। মঙ্গলবার এমন তথ্য জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
পাউবো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে; উজানে ভারতে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়নি।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাসমূহের তথ্য অনুযায়ী, আগামী দুই দিন দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে হালকা থেকে মাঝারি এবং তৃতীয় দিন মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
দেশের সব প্রধান নদ-নদীসমূহের পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদ-নদীসমূহের পানির সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে; ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদ-নদীসমূহের পানির সমতল আগামী পাঁচ দিন বাড়তে পারে। একই সময়ে গঙ্গা নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল রয়েছে।
অপরদিকে পদ্মা নদীর পানি সমতল বেড়েছে। আগামী পাঁচ দিন গঙ্গা নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পদ্মা নদীর পানির সমতল আগামী পাঁচ দিন বাড়তে পারে।
এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীসমূহের পানির সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী তিন দিন উক্ত নদীসমূহের পানির সমতল হ্রাস পেতে পেতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনা জেলার ধনু-বাউলাই নদীসমূহের পানির সমতল স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে শেরপুর ও নেত্রকোনা জেলার ভুগাই-কংস নদীসমূহের পানির সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী দুই দিন উক্ত নদীসমূহের পানির সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং তৃতীয় দিন বাড়তে পারে। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু-খোয়াই নদীসমূহের পানির সমতল বেড়েছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য অঞ্চলের মুহুরী ও সাঙ্গু নদীসমূহের পানির সমতল বেড়েছে। ফেনী, হালদা ও মাতামুহুরী নদীসমূহের পানির সমতল সার্বিকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে। উক্ত নদীসমূহের পানির সমতল আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

