পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই মোংলার ঠাকুরানী খাল উদ্ধার করা হবে। খালটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় এলাকায় জলাবদ্ধতা ও মশার উপদ্রব বেড়েছে। খাল উদ্ধার করা গেলে পৌরবাসীর দুর্ভোগ অনেকাংশে কমবে।
রবিবার বিকেলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘মোংলা নদী পারাপার ঘাট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, খালের ওপর যারা স্থাপনা নির্মাণ করেছে তারা প্রভাবশালী হতে পারে, তবে রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি উদ্ধারে সরকার নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঠাকুরানী খাল দখলমুক্ত করতে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
তিনি আরও বলেন, মোংলা নদীর ওপর ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন পারাপারের জন্য টেকসই ঘাট নির্মাণ এবং সার্বক্ষণিক দুটি ফেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমি, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি এবং পরিবেশবিদ নূর আলম শেখ।
এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ইপিজেড, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, পৌর কর্তৃপক্ষ, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

