ফিফটির সম্ভাবনা জাগিয়ে মাইলফলকের আগেই ফিরলেন লিটন। অফ স্পিনার ডিন ফক্সক্রফটের ভেতরে ঢোকা বল তার ব্যাট ফাঁকি দিয়ে স্টাম্পে আঘাত হানে। ক্ষণিকের জন্য লিটন স্তম্ভিত হয়ে থাকলেন। এরপর হাতের ইশারায় যা দেখালেন, তাতে বোঝা গেল বল এতটা টার্ন করবে তিনি ভাবতে পারেননি।
এর আগে মাত্র ১ রানে হেনরি নিকলসের হাত ফসকে জীবন পান সাইফ হাসান। এমন সুযোগ নষ্ট হতে দেননি বাংলাদেশের ওপেনার। ১৯তম ওভারে চার বলে ক্লার্কসনকে তিনটি বাউন্ডারি মেরে ৫৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করলেন তিনি।
তার ৮ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ফিফটিতে বাংলাদেশ একশ পার করে ১৮.৪ ওভারে। কিছুক্ষণ পর সাইফ আউট হয়ে গেছেন। ২২.৩ ওভারে উইলিয়াম ও’রোর্কের বলে ক্লার্কসনের ক্যাচ হন তিনি ৭৬ বলে ৫৭ রান করে। ৪৮ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৩৫ রান স্বাগতিকদের।
চতুর্থ ওভারে জোড়া ধাক্কা লাগলেও বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায়। প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের ২৪৭ রানের জবাবে তারা পাওয়ার প্লেতে করেছিল ৫২ রান। ২ উইকেট হারাতে হয়েছে। নিউজিল্যান্ড প্রথম ১০ ওভারে ১ উইকেটে করেছিল ৩৮ রান। ২১ রানে ২ উইকেট পড়ার পর বাংলাদেশের হয়ে ওই সময় সাইফ ও লিটন দাস ব্যাটিং করছিলেন যথাক্রমে ১৮ ও ১৫ রানে। দুজনেই উইকেটে বেশ সেট হয়ে বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে রেখেছেন।
বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছে বিস্ময়করভাবে। চার বল শেষে তাদের স্কোর ৫, কিন্তু দুই ওপেনার সাইফ ও তানজিদ হাসান তামিম তখনো রানের খাতা খোলেননি। ইনিংসের পঞ্চম বলে রানের খাতা খোলেন সাইফ। তানজিদ শেষ বলে প্রথম রানের দেখা পান।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে নাথান স্মিথের তৃতীয় বলে নিকলসের হাত ফসকে ১ রানে জীবন পান সাইফ। নিউজিল্যান্ড পেসার তার পরের ওভারে পরপর দুটি উইকেট তুলে নেন।
তানজিদকে ২ রানে বোল্ড করেন। পরের বলে গোল্ডেন ডাক মারেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তাকে বোল্ড করে হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেন স্মিথ। যদিও লিটন দাসকে ফিরিয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেননি তিনি। চতুর্থ ওভারে মাত্র ২ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ২১ রানে ২ উইকেট পড়ে তাদের।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত হলেও শেষটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। হেনরি নিকলস ও ড্যান ফক্সক্রফটের ফিফটির পরও ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭ রানে থামে কিউইদের ইনিংস। বাংলাদেশকে করতে হবে ২৪৮ রান।

