সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করতে করতে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের গতি কিছুটা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। ফোন ধীরগতির হয়ে গেলে অনেকেই নতুন ফোন কেনার কথা ভাবেন। তবে কয়েকটি সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করলেই বর্তমান ফোনের কর্মক্ষমতা অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব।
স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা করুন
ফোনের স্টোরেজ বা ডিভাইস কেয়ার অপশনে গিয়ে দেখে নিন কোন অ্যাপ, ছবি, ভিডিও বা অন্যান্য ফাইল কতটুকু জায়গা দখল করে আছে। পর্যাপ্ত খালি স্টোরেজ থাকলে ফোন তুলনামূলক দ্রুত কাজ করে।
অ্যাপের ক্যাশ পরিষ্কার করুন
ফোনের সেটিংস > অ্যাপস-এ গিয়ে প্রয়োজনীয় অ্যাপ নির্বাচন করুন। এরপর ক্লিয়ার ক্যাশ অপশনে ট্যাপ করুন। এতে ব্যক্তিগত কোনো তথ্য মুছে যাবে না, তবে অপ্রয়োজনীয় অস্থায়ী ফাইল মুছে গিয়ে ফোনের গতি কিছুটা বাড়তে পারে।
অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে ফেলুন
বড় আকারের ভিডিও, ডুপ্লিকেট ছবি, ডাউনলোড করা অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও ব্যবহার না করা ডকুমেন্ট নিয়মিত মুছে ফেলুন। এতে স্টোরেজ খালি হবে এবং ফোনের ওপর চাপ কমবে।
অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইনস্টল করুন
যেসব অ্যাপ দীর্ঘদিন ব্যবহার করছেন না, সেগুলো ফোন থেকে সরিয়ে দিন। অনেক অ্যাপ পেছনে (ব্যাকগ্রাউন্ডে) চলতে থাকে, যা র্যাম ও ব্যাটারি ব্যবহার করে ফোনের গতি কমিয়ে দেয়।
নির্ভরযোগ্য ক্লিনিং অ্যাপ ব্যবহার করুন
প্রয়োজনে গুগল প্লে স্টোর থেকে বিশ্বস্ত ক্লিনিং অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। এসব অ্যাপ অপ্রয়োজনীয় জাঙ্ক ফাইল শনাক্ত করে পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। তবে অতিরঞ্জিত দাবি করা বা অজানা ক্লিনিং অ্যাপ ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।
সফটওয়্যার আপডেট রাখুন
ফোনের সেটিংস > সফটওয়্যার আপডেট থেকে নিয়মিত আপডেট আছে কি না পরীক্ষা করুন। নতুন আপডেটে নিরাপত্তা উন্নয়ন, ত্রুটি সংশোধন এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত থাকে।
ফোন পুনরায় চালু করুন
নিয়মিত ফোন রিস্টার্ট করলে অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস বন্ধ হয় এবং সাময়িকভাবে কর্মক্ষমতা উন্নত হতে পারে।
ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ সীমিত করুন
একসঙ্গে অনেক অ্যাপ চালু রাখলে র্যামের ওপর চাপ পড়ে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অ্যাপ বন্ধ রাখার অভ্যাস করুন।
এসব সহজ অভ্যাস নিয়মিত অনুসরণ করলে নতুন ফোন না কিনেও দীর্ঘদিন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন দ্রুত ও স্বাভাবিক গতিতে ব্যবহার করা সম্ভব।

