বাংলাদেশের চেয়ে ২৫৭ রানে পিছিয়ে থেকে সিলেট টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে পাকিস্তান। আগে ব্যাট করতে নেমে টাইগাররা গুটিয়ে যায় ২৭৮ রানে। জবাবে বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা।
টস জিতে পাকিস্তান আগে বোলিংয়ে নামলে দ্বিতীয় বলেই দলকে সাফল্য এনে দেন মোহাম্মদ আব্বাস। গত টেস্টে ফাইফার পাওয়া এই পেসার শূন্য রানে সাজঘরে ফেরান মাহমুদুল হাসান জয়কে। অভিষিক্ত তামিমকে নিয়ে হাল ধরেন মুমিনুল। তবে দলীয় ৪৪ রানে তামিম আর ৬৩ রানে মুমিনুলও বিদায় নেন।
দুজনই অবশ্য শুরুটা পেয়েছিলেন ভালো। তামিম ৩৪ বলে ২৬ ও মুমিনুল ৪১ বলে ২২ রান করেন। ৬৩ রানে তৃতীয় উইকেট হারালে বিপর্যয় সামলানোর দায়িত্ব নেয় শান্ত-মুশফিক জুটি। তাদের ব্যাটে ভর করে তিন অঙ্কে পা ফেলে বাংলাদেশ। লাঞ্চ বিরতির আগে ২৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০১ রান জড়ো করে স্বাগতিক দল।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমকে। তাদের পথ অনুসরণ করেন মেহেদী হাসান মিরাজও। শান্ত ৭৪ বলে ২৯, মুশফিক ৬৪ বলে ২৩ ও মিরাজ ৬ বলে ৪ রান করেন। ১১৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনের পর হাল ধরেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম।
১৬৮ রান নিয়ে দুজনে যান চা বিরতিতে। সপ্তম উইকেটে গড়েন ৬০ রানের জুটি। ১৬ রান করে তাইজুল বিদায় নিলে আবারো একপ্রান্তে আসা-যাওয়ার মিছিল। তবে অন্য প্রান্ত আগলে রেখে লিটন দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে যান। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি।
১৫৯ বলে ১২৬ রান করে তিনিও বিদায় নিলে শেষ আশাও শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। শরিফুল ৩০ বলে ১২ রান করে থাকেন অপরাজিত। ৭৭ ওভারে ২৭৮ রান দাঁড়ায় বাংলাদেশের সংগ্রহ। পাকিস্তানের পক্ষে খুররম শাহজাদ চারটি, মোহাম্মদ আব্বাস তিনটি, হাসান আলী দুটি এবং সাজিদ খান একটি উইকেট শিকার করেন।
জবাব দিতে নেমে বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে দিন শেষ করে পাকিস্তান। ৬ ওভার বল করলেও বাংলাদেশ এখনও কোনো উইকেটের দেখা পায়নি। আজান আওয়াইস ২০ বলে ১৩ ও আব্দুল্লাহ ফজল ১৬ বলে ৮ রান করে অপরাজিত রয়েছেন।

