
পাহাড়ি হলুদ কাছিমের ৮০-৯০ শতাংশ এখন বিলুপ্ত। ফলে এটি রয়েছে অতিবিপন্নের তালিকায়। এমন অবস্থায় চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় গত বৃহস্পতিবার তিনটি এবং শনিবার একটি হলুদ কাছিমের বাচ্চা জন্ম নিয়েছে।
চিড়িয়াখানা সূত্র জানায়, বিভিন্ন পশুপাখির বংশবিস্তারের মাধ্যমে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা। এরই ধারাবাহিকতায় চিড়িয়াখানায় ১০ বছর পর চারটি হলুদ পাহাড়ি কাছিমের বাচ্চা জন্ম নিয়েছে।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন পশুপাখির বংশবিস্তারের মাধ্যমে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করার কাজ চলছে। এবার প্রজননের সফলতায় নতুন যোগ হয়েছে হলুদ পাহাড়ি কাছিম। চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম নেওয়া পাহাড়ি কাছিম প্রজননে একটু বেশি সময় নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার তিনটি এবং শনিবার আরও একটি হলুদ কাছিমের বাচ্চা জন্ম নেয়। আমরা আরও কাছিমের অপেক্ষায় আছি। তিনি বলেন, হলুদ পাহাড়ি কাছিম মাটির নিচে সচরাচর ৩-৫টি কিংবা ১-৭টি ডিম পাড়ে। ১২০-১৫০ দিন অথবা ১০০-১৯০ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা জন্ম নেয়।

