সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান

0
সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান

কী অপরাধ ছিল বগুড়াবাসীর এমন শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২০২৪ সালের ২ নভেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতায় সংবাদটি প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। বগুড়া বিএনপির ঘাঁটি বলে প্রতিহিংসায় সব উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান হওয়ায় গত ১৭ বছরে দৃশ্যত কোনো উন্নয়ন করা হয়নি এই জেলায়। বরং বগুড়ার নাম নিয়ে করা হয়েছে তিরস্কার। 

উত্তরাঞ্চলের রাজধানী খ্যাত বগুড়ার উন্নয়নে অনীহার নেপথ্যে ছিল ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতিহিংসা। কলা দেখিয়ে বগুড়াবাসীকে মুলাও দেননি আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে থাকা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। দেড় দশক ধরে উন্নয়নবঞ্চিত বগুড়াবাসী এবার উন্নয়নের বিভিন্ন দাবি তুলেছেন। সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নয়ন বঞ্চিত এই জেলার উন্নয়নের তালিকা তুলে দিবেন বগুড়াবাসীর হাতে। তিনি প্রায় দেড়শো বছরের পুরোনো বগুড়া পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন ঘোষণা করবেন। সিটি করপোরেশন ঘোষণার মধ্য দিয়ে সকল উন্নয়নের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।   

জানা গেছে, ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই বগুড়া পৌরসভা গঠন করা হয়। সেই সময় পৌরসভার আয়তন ছিল ১.১২ বর্গমাইল। আর জনসংখ্যা ছিল ৭ হাজার। ব্রিটিশ শাসনামলে বগুড়া পৌরসভা গঠন করার পর প্রথম চেয়ারম্যান হন ব্রিটিশ নাগরিক ডব্লিউ ওয়াভেল। সর্বশেষ পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী একেএম মাহবুবর রহমান। আর সর্বশেষ বগুড়া পৌরসভার মেয়র ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া সদর আসনের এমপি রেজাউল করিম বাদশা। এরআগে প্রতিষ্ঠার ১০৫ বছর পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ১৯৮১ সালের ১ আগস্ট বগুড়া পৌরসভা ক শ্রেণিতে উন্নীত হয়। সাথে সাথে আয়তন বাড়িয়ে ১৪.৭৬ বর্গ কিলোমিটার করা হয়। ২০০৬ সালে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারে থাকাকালীন সময়ে বগুড়া পৌরসভার আয়তন বেড়ে ৬৯.৫৬ বর্গ কিলোমিটার করা হয়। এটিই ছিলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম পৌরসভা। বগুড়া পৌরসভাকে ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১২টি ওয়ার্ড থেকে ২১ টি ওয়ার্ড এবং বর্ধিত করেছেন তার স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া। সোমবার (২০ এপ্রিল) এই পৌরসভাকে সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা দিবেন তাদের পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই পরিবারের তিন রাষ্ট্রনায়কের হাত ধরে বগুড়া পৌরসভার উন্নয়ন হলো। 

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি জানিয়েছেন, শীঘ্রই বগুড়া অংশ থেকে রেলপথ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হবে। আগামী বছরের মধ্যে দৃশ্যত এই রেলপথের কাজ দ্রুতগতিতে সমাপ্ত হবে। এরআগে ২০০৫ সালে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকাকালে রেলপথ নির্মাণে পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এডিবির অর্থায়নে তখন প্রাক সমীক্ষাও হয়েছিল। পরে অর্থের অভাবে প্রকল্পটি আর এগোয়নি। ২০১৭ সালে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়। 

বগুড়াবাসীর চাওয়া বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথটি চালু হলে বগুড়া ও সিরাজগঞ্জের মানুষের সহজ যাতায়াত নিশ্চিতসহ রাজধানীর সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর দূরত্ব কমে আসবে। বহুল প্রত্যাশিত বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণের অপেক্ষায় এ অঞ্চলের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে রেলপথ নির্মানের ঘোষণাও দিতে পারেন। 

পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চায় বগুড়াবাসী
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থলে পূনাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চায় বগুড়াবাসী। যা এখন বাস্তবায়নের পথে। আগে থেকেই একটি বিশেষায়িত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও জেলার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং উচ্চশিক্ষার চাহিদা বিবেচনায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জোরালো হয়। বগুড়াবাসীর সেই দাবি পূরুণ করছেন এই জেলার সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফলে এই অঞ্চলের মানুষের আরেকটি স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বগুড়া বৈশাখী মেলায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা বলেন। তিনি বলেন, ১২ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সেখানে আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা, কাঠামো ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এরআগে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস হয়। বিভিন্ন বাধার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম ২০১৮ তে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৩ সালের ১০ মে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকার এস আরও জারি করে। দীর্ঘ ২৪ বছর পর ২০২৫ সালের ৩ জুন ড. মো. কুদরত-ই-জাহান কে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পুনাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চালু হলে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার নতুন দুয়ার উন্মোচিত হবে।

বগুড়ায় বাণিজ্যিকভাবে বিমানবন্দর স্থাপন
বিএনপির ঘাটি বলে শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বগুড়া বিমানবন্দর চালুর সবুজ ফিতা বন্দি হয়ে আছে লাল ফাইলে। নির্মাণের ২৮ বছর পেরিয়ে গেলেও উড়ছে না বাণিজ্যিকভাবে বিমান। যাত্রী, একাধিক ফোরস্টার হোটেল, মোটেল, পর্যটন কেন্দ্র, চিকিৎসাকেন্দ্রসহ বাণিজ্যিকভাবে সকল প্রকার সম্ভাবনা থাকার পরেও বিমান উড়ার কোন খবর নেই। বিএনপি সরকারের কাছে বগুড়াবাসি বাণিজ্যিকভাবে বিমানবন্দর চালু করার দাবী জানিয়েছেন। আজ বগুড়াবাসীর এই স্বপ্ন পূরুণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

বগুড়া জেলার বাণিজ্যিকভাবে দিনদিন প্রসার বাড়ছে। উত্তরের জেলাগুলোর মধ্যে রংপুর, গাইবান্ধা, নাটোর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার বাণিজ্যিক বিষয়াদি আগের থেকে বেড়েছে। যে কারণে বগুড়ার ব্যবসায়িদের ঢাকা এবং চট্রগ্রামের ব্যবসায়িদের উপর নির্ভরতাও করতে হয়। সময়মত অনেক কিছুই মেলে না বলে পিছিয়ে যেতে হচ্ছে ব্যবসা বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে। বগুড়ার ব্যবসা বাণিজ্যকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিতে ১৯৮৭ সালে বগুড়ায় বিমানবন্দর নির্মাণের প্রথম আলোচনা শুরু হয়। এরপর ১৯৯৫-১৯৯৬ সালে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া নামকস্থানে বগুড়া ষ্টল বিমান বন্দর নির্মাণ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন পায়। এরপর ১৯৯৬ সালে প্রথমে নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০০০ সালে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আশা করা হয়। সে হিসেবে ২০০১ সালের শুরুতে বগুড়ার আকাশে বিমান উড়বে বলে প্রকল্প কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কিন্তু বিমান উড়বে, উড়বে করেও আর উড়েনি। তাই বগুড়াবাসীর বহু আশার বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালু করার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে। 

করতোয়া নদী সংস্কার করে যৌবন ফিরিয়ে আনতে চান বগুড়ার জনগণ
উজানে কাটাখালির বাঁধে মরছে করতোয়া। গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কাটাখালি নদীর খুলশি এলাকায় বাঁধ নির্মাণ করে পানি প্রবাহ বন্ধ করায় যৌবন নেই নদীটির। এক বাঁধই কাল হয়ে গেছে করতোয়া নদীর। নদীর উৎসমুখে পানি প্রবাহ না থাকায় এখন মৃত। অপরিচ্ছন্ন ও বড়সড় নর্দামার এই নদী এখন জীবাণু বহন করছে। মৃত প্রায় নদীকে বাঁচিয়ে তুলতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও ফিরছে যৌবন। 
করতোয়া নদীর যৌবন ফেরাতে বগুড়া অংশে পুন:খনন ও স্লোপ প্রটেকশনের কাজ করা হয়েছে। সম্প্রতি প্রায় ৪৭ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে করতোয়া নদী পূর্ণ:খনন ও ডান তীরে স্লোপ প্রটেকশন কাজ প্রকল্পের মাধ্যমে ব্যস্তবায়ন করে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। এছাড়া নতুন করে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মাটিডালি থেকে নওদাপাড়া পর্যন্ত ১১কিলোমিটার পুন:খনন করা হয়। কিন্তু তাতেও যৌবন ফেরেনি এই নদীর। করতোয়া নদীতে যে সংস্কারকাজ করা হয়েছে তার বরাদ্দ বাড়িয়ে ১৮০ কিলোমিটার জুড়ে নদীর যৌবন ফিরিয়ে আনার দাবি বগুড়ার জনগণের। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এটিও বাস্তবায়ন করবেন এমন প্রত্যাশা বগুড়ার মানুষের। 

বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ ফিরিয়ে আনতে চায় জেলাবাসী
বগুড়ার শহীদ চাঁন্দু স্টেডিয়ামকে পুনরায় আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট ভেন্যুতে রূপ দিতে দ্রুত উন্নয়ন কাজ শুরু করছে বিএনপি সরকার। এই স্টেডিয়াম একসময় আন্তর্জাতিক ভেন্যু হিসেবে পরিচিত থাকলেও দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এখানে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের আশা ছিল এখানে বিপিএল অনুষ্ঠিত হবে কি না। ১৩ এপ্রিল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক স্টেডিয়ামটি পরিদর্শনের মাধ্যমে সেটিও এখন বাস্তবায়নের পথে।  আইসিসি-র স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী আন্তর্জাতিক একটি স্টেডিয়ামের যে সুযোগ-সুবিধা থাকা দরকার, সেই আদলে এটিকে পুনর্গঠন করার জন্যই তিনি এসেছিলেন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, মন্ত্রণালয় এবং ক্রিকেট বোর্ড সবাই একমত হওয়ায় শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামকে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম হিসেবে গড়ে তুলতে দ্রুতই কার্যক্রম শুরু করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ ফিরিয়ে আসবে। 

বিএনপি মিডিয়া সেল এর সমন্বয়কারী ও বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক কালাম আজাদ জানান, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল আরও আধুনিকায়ন করা, দ্বিতীয় বিসিক শিল্পনগরী, সবজি হিমাগার, কমপক্ষে চারটি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, যমুনা নদীতে ট্যুরিস্ট স্পট নির্মাণ, সার কারখানা স্থাপন, শহরের যানজট নিরসন, কাঁচা সড়ক পাকাকরণ, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাসহ বঞ্চিত হিসেবে চাকরির ব্যবস্থা গ্রহণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সহজ শর্তে সরকারি ঋণ প্রদানের দাবি বগুড়াবাসীর। বগুড়া বিএনপির  ঘাঁটি বলে প্রতিহিংসায় সব উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়ন করলেও বগুড়াকে দেখেছেন শেখ হাসিনা ভিন্ন চোখে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বগুড়ায় হাসপাতাল, রাস্তাঘাট, সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানাসহ যে উন্নয়ন হয়েছিল তা উত্তরের মানুষের জন্য সুফল বয়ে এনেছিল। বিএনপি সরকার আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পিছিয়ে পড়া বগুড়াকে এগিয়ে নিতে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বগুড়াকে সিটি করপোরেশন ঘোষণার মধ্য দিয়ে সকল বঞ্চনার অবসান ঘটাবেন। 

তিনি আরও জানান, সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী ঢাকার নিজ বাসভবন থেকে সকাল ৬টায় সড়ক পথে বগুড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া সার্কিট হাউসে উপস্থিত হওয়ার পর বেলা ১১ টায় তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নবনির্মিত আইনজীবী সমিতির ভবন উদ্বোধন এবং ই-বেইলবন্ড কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বগুড়া পৌরসভায় উপস্থিত হয়ে নবসৃষ্ট বগুড়া সিটি কর্পোরেশন এর ফলক উন্মোচন করবেন। দুপুর পৌনে ১টায় বাগবাড়ীতে উপস্থিত হয়ে তিনি জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন এবং শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। দুপুর পৌনে ২টায় নশিপুরে চৌকিরদহ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এঁর পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন। এরপর বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বগুড়া জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। জনসভা শেষে তিনি বিকেল পৌনে ৬টায় বগুড়া প্রেসক্লাবের নতুন ভবন এবং বাইতুর রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here