সকালে থেকে ভারি বর্ষণ হচ্ছে সিলেটে। বৃষ্টি উপেক্ষা করেও শনিবার (২ মে) সকাল থেকে সিলেটের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সিলেটে এটাই তার প্রথম সফর। তাঁর সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান, একাধিক মন্ত্রী, সংসদীয় হুইপ, উপদেষ্টা এবং সংসদ সদস্যরা।
শনিবার (২ মে) সকালে হযরত শাহজালালের মাজারে কবর জিয়ারত শেষে নগরীর চাঁদনীঘাট এলাকায় সিলেট সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি সেখানে আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রকল্পের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলী আকবর।
প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় নদীর তীর সংরক্ষণ, আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সবুজায়ন, দৃষ্টিনন্দন নগর অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী ইউএস বাংলার উড়োজাহাজটি সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
সিলেটে পৌঁছালে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান মন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যরা। এরপর হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে নগরের ক্বীন ব্রিজ সংলগ্ন সুরমার তীরে নদীর তীর সংরক্ষণ, আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সবুজায়ন, দৃষ্টিনন্দন নগর অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং বন্যা প্রতিরোধী উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে সিসিকের সুধী সমাবেশে যোগদান করেন।

