সিডনিতে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’তে বাংলাদেশের ১১ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

0
সিডনিতে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’তে বাংলাদেশের ১১ প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পৃষ্ঠপোষকতা এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ব্যবস্থাপনায় ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের ১১টি স্টল অংশ নিচ্ছে।

মেলার বাংলাদেশি স্টলগুলোর উদ্বোধন করেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য কাউন্সেলর রনি চাকমা এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জুলি হল্ট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে আগত অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহী আমদানিকারকরাও উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ২০টি দেশের ৬০০-এর বেশি প্রদর্শক এ মেলায় অংশগ্রহণ করছে। ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র প্রধান আন্তর্জাতিক সংগ্রহভিত্তিক প্রদর্শনী, যেখানে সংগ্রহ পেশাজীবীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং ব্যবসায়িক সম্ভাবনা অনুসন্ধানের সুযোগ পান।

প্রদর্শনীতে পোশাক, জুতা, ফ্যাশন অনুষঙ্গ, বস্ত্র এবং গৃহসজ্জাসামগ্রীসহ বিভিন্ন খাতের পণ্য ও সেবা উপস্থাপন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা তুলে ধরতে মেলার দ্বিতীয় দিন, ১৭ জুন, ‘বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প ও অন্যান্য উদীয়মান খাত: টেকসই উৎপাদন এবং অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

সেমিনারে বাংলাদেশ হাইকমিশন, ক্যানবেরার প্রতিনিধি হিসেবে বাণিজ্য কাউন্সেলর রনি চাকমা বক্তব্য দেবেন। এছাড়া মেলার প্রথম দিনে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া ১১টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জন্য হাইকমিশনের উদ্যোগে একটি বিশেষ ব্রিফিং সেশনের আয়োজন করা হয়। সেশনটি পরিচালনা করেন অস্ট্রেলিয়া ট্রেড অ্যান্ড লজিস্টিকস করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লরেন্স ক্রিস্টোফেলজ।

বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত দর্শনার্থী, ক্রেতা, বিপণনকারী এবং পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। পাশাপাশি ব্যবসা নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে নতুন বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগও সৃষ্টি হবে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন, তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ এবং ব্যবসা-টু-ব্যবসা নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়াসহ বৈশ্বিক তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে রপ্তানি সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনাও সৃষ্টি হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here