ঝিনাইদহের মহেশপুরে চেতনাশক ওষুধ খাইয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা আমির হোসেন বাদী হয়ে ডালিম দফাদারকে আসামি করে মঙ্গলবার সকালে মহেশপুরে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গুড়দা গ্রামের আমির হোসেন মেয়ে ময়নার (ছদ্ম নাম) ৫ বছর আগে উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে বিয়ে হয়। তার ৩ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। ঈদে বাপের বাড়িতে বেড়াতে আসেন ওই গৃহবধূ। সেসময় গুড়দা গ্রামের নুর দফাদারের ছেলে ডালিম দফাদার (২৫) পূর্ব পরিচিতি থাকায় গত ৩১ মে দিবাগত রাতে ডালিম দফাদার সাথে করে বাজারে থেকে সৌদি খেজুরে চেতনাশক ঔষুধ মিশিয়ে ওই গৃহবধূর ঘরে ঢোকে এবং কৌশলে তাকে খেজুর খাওয়ে অচেতন করে নেয়।
এরপর তাকে রাতভর ধর্ষণ করে ভোরে ওই বাড়ি থেকে ডালিম দফাদার পালিয়ে যায়। এক পর্যায়ে পিতা-মাতা মেয়েকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। সেসময় তারা প্রথমে চুয়াঙাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে যশোর হাসপাতালে রেফার্ড করে।
এরপর কোটচাঁদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তারা সর্বশেষ যশোর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর গত সোমবার রাতে ওই গৃহবধূর জ্ঞান ফিরে আসে।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, এঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। ভিকটিম বর্তমানে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

