বিশ্বকাপে একই সময়ে ‘সি’গ্রুপের আরেকটি ম্যাচে মাঠে নেমেছে হাইতি ও মরক্কো। ম্যাচের ১০ মিনিটেই হাকিমিদের বিপক্ষে এগিয়ে গেল হাইতি। গোলটি করেছেন জোসেফ। পরবর্তীতে ফিফা এটিকে ইয়াসিন বুনুর ‘আত্মঘাতী গোল’ হিসেবে ঘোষণা করে।
তবে এই গোলের ফলে ১৯৭৪ সালের পর পুরুষদের বিশ্বকাপে হাইতি তাদের প্রথম গোল পেল দেশটি। প্রথম দুই ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট টেবিলের সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা মরক্কোর জন্য একটিমাত্র ড্র-ই শেষ ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট। অন্যদিকে, প্রথম দুই ম্যাচেই স্কটল্যান্ড ও ব্রাজিলের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া হাইতির জন্য আজকের ম্যাচটি শুধুই নিজেদের সম্মান বাঁচানোর।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে চমকে দেওয়ার পর, দ্বিতীয় ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় বিশ্বের ৬ নম্বর দল মরক্কো। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের মাত্র ৭০ সেকেন্ডে গোল করে বাজিমাত করেছিলেন তরুণ ইসমাইল সাইবারি।
আজ হাইতিকে হারালেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হিসেবে সরাসরি নকআউটে চলে যাবে মরক্কো। সব ধরণের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ৩১ ম্যাচে অপরাজিত (২৬ জয়, ৫ ড্র) থাকা মরক্কোর আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। অন্যদিকে, ফিফা র্যাংকিংয়ের ৮৭ নম্বরে থাকা হাইতি এখনো বিশ্বকাপে তাদের প্রথম পয়েন্ট কিংবা প্রথম গোলের খোঁজে রয়েছে। হারলে বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচ হারার এক লজ্জাজনক রেকর্ড স্পর্শ করবে তারা, যা এর আগে শুধু এল সালভাদরের ছিল।

