ভোলায় তৈয়বা জাহান চৈতি (১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চৈতির বাবা মায়ের ধারণা, পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আজ সোমবার (৪ মে) সকালে ভোলা শহরের অফিসার পাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
চৈতির পৈতৃক বাড়ি বরিশালের গৌরনদী এলাকায়। বাবার চাকরির সুবাদে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তারা ভোলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
চৈতির বাবা পুলিশের কনস্টেবল মো. শাহাবুদ্দিন ফকির জানান, চৈতি তাদের আদরের একমাত্র মেয়ে ছিল। এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। ইংরেজি পরীক্ষা দিয়ে এসে বলেছিল ভালো হয়নি। সেটা নিয়ে হয়তো মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। কিন্তু কাউকে কিছু বুঝতে দেয়নি। তাই হয়তো আত্মহত্যা করতে পারে।
চৈতির মা সোনিয়া বেগম জানান, সকালে পাঙাশ মাছ খাবার বায়না ধরে মেয়েটি তাকে বাজারে পাঠিয়েছিল মাছ কিনে আনতে। বাজার থেকে এসে দেখেন ঘরের দরজা বন্ধ। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করার পরও দরজা না খোলায় একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখেন মেয়ের নিথর দেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছে। মায়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা আসে এবং পুলিশকে খবর দেয়।
ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, চৈতির পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিকেলে তাকে বরিশালে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।

