ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন

0
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন

মেয়ে শিক্ষার্থীদের ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং এ সময় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি কমানোর লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন গ্রুপ (এসিজি)-এর উদ্যোগে জেলার গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুল, গৌতমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় এবং উলচাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাথমিকভাবে এসব ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন করা হয়।

টিআইবির এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মো. আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূঁইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হলে তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। ঋতুকালীন স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য হলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারবে এবং ঝরে পড়ার হারও কমবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হাকিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু মিয়া, সনাকের সদস্য, উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন স্থাপনের ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনের সময় সহজেই স্যানিটারি ন্যাপকিন সংগ্রহ করতে পারবে। এতে ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ সহজ হবে এবং স্বাস্থ্য সচেতনতাও বৃদ্ধি পাবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরাও এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় বলে অভিহিত করেন।

গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিয়া জাহান বলেন, আগে হঠাৎ প্রয়োজন হলে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হতো। এখন বিদ্যালয়েই ন্যাপকিন পাওয়া যাবে, তাই অনেক স্বস্তি লাগছে।

গৌতমপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নুসরাত তন্নি বলেন, অনেক সময় এ কারণে ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতো। ভেন্ডিং মেশিন আমাদের জন্য খুবই উপকারী হবে।

উলচাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাসুমা আক্তার বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ সব বিদ্যালয়ে নেওয়া উচিত। এতে মেয়েরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারবে এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে আরও উৎসাহিত হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here