বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর

0
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে কৃষি উদ্যোক্তা হাবিবুর রহমান এই প্রথমবারের মতো বিদেশি ফল আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন। দেশে সাধারণত আম, জাম বা লিচুর বাগান দেখা গেলেও, সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী ও মসলা জাতীয় এই বিদেশি ফল চাষ করে রীতিমতো সফলতার মুখ দেখছেন তিনি। তার এমন সফলতা দেখে অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন আলুবোখারার বাগান করতে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন তার বাগান দেখতে ও আলুবোখারা কিনতে। 

বাগান মালিক হাবিবুর রহমান বলেন, কয়েক বছর আগে কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ২৫টি আলুবোখারার গাছ পেয়েছিলাম। বাড়ির পাশের কৃষিজমিতে আলুবোখারার গাছগুলো রোপণ করি। গাছ রোপনের এক বছর পর না বুঝে অনেকটা রাগ করে ১৮টি আলুবোখারার গাছ কেটে ফেলি। বর্তমানে বাগানে ৭টি গাছ রয়েছে। তবে দুই বছর পর গাছে প্রচুর পরিমাণ ফলন আসতে শুরু করে। এরপর থেকে বাজারে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। এ বছরই আরও আধিক পরিমান জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারার বাগান তৈরির কার্যক্রম শুরু করেছি।

উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে, আলুবোখারা একটি বিদেশি ও মশলা জাতীয় ফল। আলুবোখারা গাছে সাধারণত জানুয়ারি মাসে ফুল আসে। ফুল আসার চার থেকে পাঁচ মাস পর জুন মাসের দিকে ফল পুরোপুরি পরিপক্ক হয়। প্রতিটি ফলের ওজন সাধারণত ১০ থেকে ১২ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে এ গাছ পরিচর্যা ও সার-ঔষধ খুব বেশী প্রয়োজন হয়না। সাধারণ সবজী জাতীয় ফসলের মতো সার-ঔষধ ও পরিচর্যা করলেই হয়। 

এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা কৃষি অফিসার আলভীর রহমান বলেন, সাধারণত আলুবোখারা মসলা জাতীয় ফল। ইরাক, ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় এবং ভারতের কিছু এলাকায় আলুবোখারার চাষ হয়। বর্তমানে আমাদের দেশেও আলুবোখারার চাষ হচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে হাবিবুর রহমানের পাশে আছি। তাকে সার্বিক সহোযোগিতা করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here