ঢাকার কেরানীগঞ্জে মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লার ভাগাড় অবশেষে পরিষ্কার করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় “আবর্জনার স্তূপ, ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য” এবং মাল্টিমিডিয়ায় “সড়কজুড়ে বর্জ্যের স্তূপ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উমর ফারুকের নেতৃত্বে চুনকুটিয়া থেকে ঝিলমিল পর্যন্ত এবং জিনজিরার জনি টাওয়ার এলাকায় রাস্তার পাশের ময়লার স্তূপ অপসারণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকাগুলোতে রাস্তার পাশের ময়লা অপসারণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করা হয়।
জানা গেছে, কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখা হচ্ছিল। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলেও চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এ বিষয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর কোনো উদ্যোগ পাননি। পরে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে সংবাদ প্রকাশিত হলে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করে এবং সড়কের পাশের জমে থাকা ময়লার স্তূপ অপসারণ করে বৃক্ষরোপণ করেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর অবশেষে রাস্তার পাশে পরিষ্কার হওয়ায় আমরা স্বস্তি অনুভব করছি। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে আবারও সেখানে ময়লা ফেলা না হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিচ্ছি।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উমর ফারুক বলেন, মহাসড়কের পাশের ময়লার স্তূপ অপসারণ করা হয়েছে। এখানে যেন কেউ ময়লা ফেলতে না পারে, সেইজন্য আমরা ময়লা পরিষ্কার করে বৃক্ষরোপণ করেছি। আগামীকাল আমরা কালিন্দী ও তেঘরিয়া আন্ডারপাস এলাকার ময়লা অপসারণ করবো।
তিনি আরও জানান, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

