কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে লাল সমুদ্র উঠেছে টরন্টোর বিএমও ফিল্ড। রেফারির বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেছে বিশ্বকাপে গ্রুপ বি-এর বহুল প্রতীক্ষিত কানাডা বনাম বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ম্যাচটি। ফুটবল ইতিহাসের এক নজিরবিহীন মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছে পুরো উত্তর আমেরিকা।
সহ-স্বাগতিক হিসেবে এই প্রথম কানাডার মাটিতে পুরুষদের বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচ গড়াচ্ছে। আর মাঠের সবুজ ঘাসে বল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘরের মাঠে শুরু হয়ে গেল আলফনসো ডেভিসদের এক নতুন রূপকথা লেখার মিশন।
এর আগে ১৯৮৬ এবং ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আসরে অংশ নিয়েছিল কানাডা। কিন্তু আগের বিশ্বকাপগুলোতে খেলা ৬টি ম্যাচের একটিতেও জয়ের মুখ দেখেনি তারা। তবে আজ নিজেদের চেনা কন্ডিশন, চেনা গ্যালারি আর হাজারো সমর্থকের সামনে সেই শনির দশা কাটানোর সুযোগ এসেছে কোচ জেসি মার্শের শিষ্যদের। প্রতিপক্ষ ইউরোপের দল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এডিন জেকোর নেতৃত্বে দীর্ঘ ১২ বছর পর আবার বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ফিরেছে দলটি।
খেলা শুরুর প্রথম মিনিট থেকেই স্বাগতিক কানাডার গ্যালারির গগনবিদারী চিৎকারে কাঁপছে পুরো টরন্টো। আজ কি বসনিয়ার রক্ষণভাগ চূর্ণ করতে পারবে তারা? নাকি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ইরানকে হারিয়ে ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা থাকা বসনিয়াই প্রথম ধাক্কাটা দেবে স্বাগতিকদের!
১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা বসনিয়ার অভিজ্ঞতা বনাম ঘরের মাঠে প্রথম জয়ের জন্য ক্ষুধার্ত কানাডার গতি— দুইয়ের লড়াই চলছে। ম্যাচ শেষেই জানা যাবে, নিজেদের মাটিতে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম জয়ের অনন্য স্বাদ আজ কানাডা পাবে কিনা।

