বরিশালের আগৈলঝাড়ায় অবৈধভাবে শিকার করা ৩৬ ড্রাম গলদা চিংড়ি রেণু পাচারকালে আটক ৫ জনকে দুই মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও উদ্ধার করা চিংড়ি রেনু নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। সকালে আগৈলঝাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী হাকিম হিসেবে এ আদেশ দেন।
দন্ডিতরা হলেন-ভোলা সদরের রমজানপুর গ্রামের সুলতান বেপারীর ছেলে আলামিন বেপারী (২৫), ধনিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে আমির হোসেন (৫০), দৌলতখান এলাকার ছিন্টু হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেন (৪৫), চরমনসা এলাকার জামাল উদ্দিন জোমাদ্দারের ছেলে তাহিন জোমাদ্দার (২৮) ও রামদাসপুর এলাকার সাহাবুদ্দিন বেপারীর ছেলে কালু বেপারী ৩৫)।
আগৈলঝাড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মানিক মল্লিক জানান, ভোলার দৌলতখান থেকে খুলনা উদ্দেশ্যে ট্রাকে ৩৬ ড্রাম চিংড়ি রেনু নিয়ে রওনা দেয় পাচারকারীরা। ভোর সাড়ে সাতটায় আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ডিএসবি ছয়গ্রাম সড়কের দত্তেরাবাদ এলাকায় পৌছুলে কোস্ট গার্ড চিংড়ি রেনু বোঝাই ট্রাক ও ৫ পাচারকারীকে আটক করে। পরে তাদের ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত প্রত্যেককে দুই মাসের কারাদন্ড দিয়েছেন এবং জব্দ করা ৩৬ ড্রাম ভর্তি চিংড়ি রেনু উপজেলার বিভিন্ন খাল ও নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। পরে রবিবার দুপুরে কারাদন্ডপ্রাপ্ত ৫ জনকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

