বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের কিংবদন্তি খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠক আবদুস সাদেককে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২টার দিকে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এসময় মরহুমের পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, সকাল ১১টায় রাজধানীর বনানী ওল্ড ডিওএইচএস মাঠে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি আবদুস সাকুর।
জানাজায় মরহুমের পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, শুভানুধ্যায়ী, ক্রীড়া সংগঠক, সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে আবাহনী লিমিটেড ঢাকা, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন, মেরিনার্স ক্লাব ও আজাদ স্পোর্টিংস ক্লাবের পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এর আগে শনিবার বাদ আসর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জে ব্লকের বায়তুস সোবহান জামে মসজিদে আবদুস সাদেকের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন মুফতি আলকামা বিন জাফর।
গতকাল শনিবার সকাল ৮টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আবদুস সাদেক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দুরারোগ্য ক্যানসারে ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আবদুস সাদেকের ছোট ভাই দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। এছাড়া মরহুমের বড় ছেলে টি স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ইশতিয়াক সাদেক।
অবিভক্ত পাকিস্তান জাতীয় হকি দলের তারকা খেলোয়াড়, বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় হকি দলের অধিনায়ক, আবাহনী লিমিটেডের প্রথম ফুটবল ও হকি অধিনায়ক, সফল কোচ এবং ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে আবদুস সাদেক দেশের ক্রীড়াঙ্গনে অনন্য অবদান রেখে গেছেন। তার প্রয়াণে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

