প্রতিপক্ষের মাঠে শেষ সময়ের গোলে জিতল আর্সেনাল

0
প্রতিপক্ষের মাঠে শেষ সময়ের গোলে জিতল আর্সেনাল

চারটি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা ছিল আর্সেনালের সামনে। কিন্তু ঘরোয়া দুটি প্রতিযোগিতায় বিদায়ের পর তাদের বাকি দুটি ট্রফি পাওয়ার সম্ভাবনায়ও বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও প্রতিপক্ষ স্পোর্টিং সিপির মাঠে ঠিক ছন্দময় গানারদের দেখা যায়নি। তবে শেষ মুহূর্তের একমাত্র গোলে (১-০) জিতেছে মিকেল আর্তেতার দল।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে লিসবনের হোসে আলভালাদে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আর্সেনাল-স্পোর্টিং। যেখানে উভয় দলের লড়াই ছিল প্রায় সমানে সমান। গোলের লক্ষ্যে শট নেওয়া স্বাগতিকরা এগিয়ে থাকলেও, বলের দখল বেশি ছিল আর্সেনালের। ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে কাই হাভার্টজ তাদের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন। আগামী বুধবার ঘরের মাঠ এমিরেটসে ফিরতি লেগে পর্তুগিজ ক্লাবটিকে আতিথ্য দেবে আর্সেনাল।

এদিন ৫৬ শতাংশ পজেশন রেখে ৭টি শট নেয় আর্সেনাল, যার ৪টি লক্ষ্যে ছিল। বিপরীতে ১১টি শটের মধ্যে ৫টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় স্বাগতিক স্পোর্টিং। ম্যাচজুড়ে আর্সেনালের খেলার ধরন ছিল খুব সাবধানী। যেন প্রতিপক্ষের মাঠে পিছিয়ে পড়া ঠেকাতে হবে যেকোনো উপায়ে। ফলে প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখেও তারা স্পোর্টিংকে খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। বিপরীতে স্বাগতিক লিসবন প্রথমার্ধে কেবল একটি সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে, তাও সেটি গোল পাওয়ার উপযুক্ত ছিল না।

অবশ্য শুরু থেকে আক্রমণে এগিয়ে ছিল লিসবন। ষষ্ঠ মিনিটেই মাক্সিমিলিয়ান আরাউহোর নেওয়ার একটি জোরালো শট আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়ার হাত থেকে ক্রসবারে লেগে ফেরে। কিছুক্ষণ বাদে আরেকটি সেভ করেন রায়া। আর আর্সেনালের হয়ে মার্টিন ওডেগার্ড প্রথমার্ধে একমাত্র লক্ষ্যে থাকা শটটি করেন গোলরক্ষক বরাবর।

ম্যাচের ডেডলক ভাঙতে পারত ৬৩তম মিনিটে। মার্টিন জুবিমেন্দি বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শটে বল জালে জড়ালেও অবশ্য তাকে হতাশ হতে হয়। ভিক্টর গিওকেরেস আক্রমণের শুরুতে অফসাইড অবস্থানে থাকায় বাতিল হয় গোলটি। ৮৭ মিনিটে প্রায় গোল পাওয়ার কাছাকাছি ছিলেন স্পোর্টিংয়ের কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ড লুইস সুয়ারেজ। কিন্তু তাকে ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক রায়া। এর আগে আরেকটি হেড ঝাঁপিয়ে ঠেকান এই স্প্যানিশ তারকা।

৭০ মিনিটে বদলি নামা কাই হাভার্টজের কাছ থেকে আসে ডেডলক ভাঙা গোল। ৯১ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি বক্সে দারুণ এক ক্রস বাড়ান। সেটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আগুয়ান গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে জালে জড়ান জার্মান মিডফিল্ডার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here