পূর্বাচলে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু করতে চান তামিম

0
পূর্বাচলে স্টেডিয়ামের কাজ শুরু করতে চান তামিম

পূর্বাচলে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে। গত দেড় বছরে চারজন সভাপতি পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এদের সবারই পা পড়েছে পূর্বাচলে। কিন্তু কাজের কাজটা এখনো হয়নি। থমকেই আছে স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ।

গত ৭ এপ্রিল যখন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল, সেদিনও দুপুরে পূর্বাচল ক্রিকেট মাঠ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সর্বশেষ সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বিসিবি সভাপতি হওয়ার ১১ দিনের মধ্যে আজ পূর্বাচল পরিদর্শন করেছেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালও। স্টেডিয়াম নিয়ে নিজেদের পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক এই অধিনায়ক। সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তামিম যা বলেছেন, তাতে পূর্বাচলের স্টেডিয়াম নিয়ে নতুন করে আশা দেখতেই পারে ভক্তরা। কিন্তু আশার মাঝেও থাকছে প্রশ্ন। বহুল আলোচিত পূর্বাচল স্টেডিয়াম আলোর মুখ আসলেই দেখবে তো?

পূর্বাচল স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল নাজমুল হাসান পাপনের বোর্ড। শুরুতে এর নাম রাখা হয়েছিল ‘শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম’। স্টেডিয়ামের নকশা করা হয়েছিল নৌকার আদলে। দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোর ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল, অত্যাধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা নির্মাণে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দৃশ্যপট বদলে যায়।

আওয়ামী লীগের পতনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে বিসিবির সভাপতির চেয়ারে আসেন ফারুক আহমেদ। এরপর পূর্বাচলের স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘জাতীয় ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এনসিজি)।’ পূর্বাচল পরিদর্শন করে দ্রুতই কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন ফারুক। তবে সেটা আর বাস্তবে রূপ নেয়নি। ফারুকের পর বিসিবি সভাপতি হন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আলোচিত স্টেডিয়াম নিয়ে নিজেদের মহাপরিকল্পনার কথা শুনিয়েছিলেন বুলবুল। তার অধ্যায় খুব বেশি বড় হয়নি।

বিসিবি সভাপতির চেয়ারে এখন তামিম। পাপন, ফারুক, বুলবুলের মতো সাবেক এই ক্রিকেটারও পূর্বাচল পরিদর্শন করলেন। সেখানে তামিম বলেন, ‘মাননীয় মন্ত্রীকে পুরো নকশা দেখিয়েছি। নকশায় কিছু জায়গায় পরিবর্তন খুব জরুরি। অনেক বড় সম্পদ এটা। ক্রিকেটের সঙ্গে কিছু কিছু স্পোর্টসকে এখানে ব্যবস্থা করে দেওয়া যায় আমাদের পুরো ক্রীড়াঙ্গনের জন্যই ভালো। যারা নকশা করেছে, তাদের সঙ্গে আলোচনা করব। এনএসসির সঙ্গে আলোচনা করব। সরকারের অনেক বড় বিনিয়োগ দরকার হবে যদি এখানে বড় স্টেডিয়াম করতে হয়। দ্রুত দুই পক্ষ মিলে নিজেদের যেখানে পরিবর্তন করার দরকার করে নেব। কাজটা এখন শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা কথা বলছি কিন্তু কাজ শুরু করতে পারছি না। এটা বসে কাজ শুরু করে দেব।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here