নেই স্ত্রী-সন্তানরা, বিজয়ের নতুন পথচলায় সঙ্গী কথিত প্রেমিকা

0
নেই স্ত্রী-সন্তানরা, বিজয়ের নতুন পথচলায় সঙ্গী কথিত প্রেমিকা

তামিল সুপারস্টার বিজয় এখন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে তার নবগঠিত দল ‘টিভিকে’ অভূতপূর্ব ফলাফল অর্জন করে। গত রবিবার তিনি রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তবে বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েনই এখন মূল আলোচনায়। 

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা, ছেলে সঞ্জয় কিংবা মেয়ে দিব্যা—কাউকেই দেখা যায়নি। এমনকি বিজয়ের দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারণাতেও তারা অনুপস্থিত ছিলেন, যা এই সুপারস্টারের পারিবারিক বিবাদের বিষয়টি জনসমক্ষে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। বিশেষ করে স্ত্রী সংগীতা বিজয়ের বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনে ইতোমধ্যে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন বলে জানা গেছে।

রাজনীতিতে আসার অনেক আগেই অবশ্য ছেলে সঞ্জয়ের ক্যারিয়ার এবং নিজের বাবার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে মুখ খুলেছিলেন বিজয়। ২০২২ সালে ‘বিস্ট’ সিনেমার প্রচারণায় এক সাক্ষাৎকারে বিজয় জানিয়েছিলেন, তার ছেলে অভিনয়ে আসবে কি না সে ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা সঞ্জয়ের রয়েছে। বিজয় স্পষ্ট করে বলেছিলেন যে, তিনি কখনোই সন্তানদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন না। অনেক পরিচালক সঞ্জয়কে নিয়ে সিনেমা বানাতে চাইলেও সঞ্জয় তখন পড়াশোনা ও নিজের জন্য কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। বিজয় মনে করেন, সন্তানরা কী হতে চায় তা বেছে নেওয়ার পূর্ণ অধিকার তাদের থাকা উচিত।

একই সাক্ষাৎকারে বিজয় তার বাবা এস এ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে তিক্ততা নিয়েও কথা বলেন। উল্লেখ্য, বিজয়ের অনুমতি ছাড়াই তার ফ্যান ক্লাবকে রাজনৈতিক দলে রূপান্তর করার চেষ্টা করেছিলেন তার বাবা, যা নিয়ে বাবা-ছেলের আইনি ও প্রকাশ্য বিরোধ তৈরি হয়। তবে ব্যক্তিগত মতভেদ থাকলেও বাবার গুরুত্ব নিয়ে আবেগঘন মন্তব্য করেছিলেন বিজয়। তিনি বাবাকে গাছের শিকড়ের সঙ্গে তুলনা করে বলেছিলেন, ছেলেরা যখন নিজেরা বাবা হয়, তখনই তারা বুঝতে পারে একজন বাবার ত্যাগ কতটা গভীর। তিনি মনে করেন, ঈশ্বরকে দেখা যায় না, কিন্তু বাবাকে দেখা যায়।

এদিকে বিজয়ের শপথ অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী ও সন্তানরা কেউ না থাকলেও অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের উপস্থিতি নতুন করে গুঞ্জনের ডালপালা মেলেছে। বিজয়ের বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনের পেছনে তৃষার সঙ্গে তার কথিত সম্পর্কের বিষয়টিকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক জীবনের এই বিশাল সাফল্যের দিনে কাছে মানুষদের অনুপস্থিতি বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবনের এক বিষণ্ণ চিত্রই ফুটিয়ে তুলেছে।

সূত্র: এনডিটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here