স্পোর্টিং সিপির বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও প্রথম লেগে পাওয়া ১-০ গোলের জয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সেমির টিকিট কাটল গানাররা।
বুধবার রাতের ম্যাচে শুরু থেকেই কিছুটা অগোছালো খেলেছে আর্সেনালের ফুটবলাররা। দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় সাকা ও ওডেগার্ড ইনজুরির কারণে না থাকায় আক্রমণে ধার কম দেখা গেছে।
এই সুযোগটা কাজে লাগাতে চেষ্টা করে স্পোর্টিং। মাঝমাঠে বল দখল এবং দ্রুত আক্রমণে আর্সেনাল রক্ষণকে বারবার চাপে ফেলে তারা। ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে কাতামোর পায়ে। তার জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে না এলে ফল ভিন্নও হতে পারতো। এছাড়া আর্সেনাল গোলরক্ষক রায়ার একটি ভুলও দলকে বিপদে ফেলেছিল, যদিও শেষ পর্যন্ত তা বড় ক্ষতির কারণ হয়নি।
সম্প্রতি কঠিন সময় পার করছে আর্সেনাল। ইতোমধ্যে এফএ কাপ থেকে বিদায় নিয়েছে, আর লিগ কাপের ফাইনালে সিটির কাছে হেরেছে। তার উপর প্রিমিয়ার লিগে বোর্নমাউথের বিপক্ষে হারের ধাক্কাও এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি দলটি। ফলে এমন নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স শিরোপা দৌড়ে থাকা একটি দলের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এর মধ্যেই আর্সেনালের জন্য সামনে অপেক্ষা করছে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রিমিয়ার লিগে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ম্যানচেস্টার সিটি। আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের বাধা টপকাতে হবে তাদের।
গ্রুপ পর্বে স্প্যানিশ দলটিকে ৪-০ গোলে হারানোর স্মৃতি থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। ২০০৬ সালের পর প্রথমবার ফাইনালে উঠতে হলে আর্সেনালকে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতেই হবে।

