নির্ধারিত ডোপ টেস্টে উপস্থিত না থাকায় ভারতের অ্যান্টি ডোপিং সংস্থা নাডার কাছ থেকে নোটিশ পেয়েছেন দুই ভারতীয় ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়াল ও শেফালি ভার্মা। দুজনই নাডার রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়মিত নিজেদের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য হালনাগাদ রাখতে হয়।
এই তালিকাভুক্ত ক্রিকেটারদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় যেকোনো মুহূর্তে ডোপ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে জয়সওয়াল ও শেফালিকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া টেস্ট মিস করার পেছনে কোনো ব্যাখ্যাও তারা দেননি। ফলে ঘটনাটি তাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক ‘মিসড টেস্ট’ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
একটি সূত্রের বরাত দিয়ে পিটিআই জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দুই ক্রিকেটারকে ইতোমধ্যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকেও (আইসিসি) জানানো হয়েছে।
অ্যান্টি ডোপিং নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলে থাকা খেলোয়াড়দের সবসময় নিজেদের অবস্থানের তথ্য হালনাগাদ রাখতে হয়, যাতে ডোপিং কর্মকর্তারা প্রয়োজন হলে যেকোনো সময় পরীক্ষা নিতে পারেন। একবার টেস্ট মিস করাকে সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনবার এমন ঘটনা ঘটলে সেটি ডোপিং নীতিমালা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে। সেক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে হতে পারে।
বিসিসিআই নাডার পাঠানো নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বোর্ড জানিয়েছে, কী কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিসিসিআইয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নাডার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনার কারণে এখন অ্যান্টি ডোপিং নিয়ম আরও কঠোরভাবে অনুসরণ করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে নাডার রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলে ১৩ জন ভারতীয় ক্রিকেটার রয়েছেন। এ তালিকায় শুভমান গিল, হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রিত বুমরাহ ও ঋষভ পান্তও আছেন।

