ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতাকে নির্বাচন করবে ধর্মীয় নেতাদের বিশেষজ্ঞ পরিষদ। এই পরিষদই ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব দিয়েছিল।
এই বিশেষজ্ঞ পরিষদ ৮৮ জন আলেমকে নিয়ে গঠিত, যারা প্রতি আট বছর পরপর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হন।
বিবিসি লিখেছে, পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই করে প্রভাবশালী ‘গার্ডিয়ান কাউন্সিল’। ফলে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি অনুগত বলে বিবেচিত ব্যক্তিরাই কেবল প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পান। বর্তমান পরিষদে খামেনির দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মেলে-এমন কট্টরপন্থি আলেমদের প্রাধান্য রয়েছে।
সংবিধানে বলা হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু ইরান যদি টানা সামরিক হামলার মুখে থাকে, তাহলে পরিষদের সব সদস্যকে একত্রিত করা জটিল হয়ে উঠতে পারে।
অন্তর্বর্তী সময়ে সাধারণত প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন আলেম যৌথভাবে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন, যতক্ষণ না উত্তরসূরি নির্বাচিত হন।

