পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেশসেরা জাতীয় বিতার্কিকদের অংশগ্রহণে কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ষবরণ বিতর্ক উৎসব।
শুক্রবার বিকালে কুমিল্লার নজরুল ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে এ আয়োজন করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেটিং সোসাইটি।
উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ‘গ্রাম বেড়াতে গেলেই সুন্দর’ শীর্ষক বিতর্ক। এতে পক্ষে ও বিপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন বিতার্কিকরা। পক্ষ দলে অংশ নেন সাবেক জাতীয় টেলিভিশন বিতার্কিক ও বিএনডিএসের নির্বাহী পরিচালক শাহনূর কিবরিয়া সুজন (প্রথম বক্তা), নির্বাহী পরিচালক মো. শরীফুল ইসলাম (দ্বিতীয় বক্তা) এবং দলনেতা ছিলেন শরিফ হোসেন।
অন্যদিকে, বিপক্ষ দলে ছিলেন বিএনডিএসের সিনিয়র সদস্য সোহাগ হোসেন (প্রথম বক্তা), নির্বাহী পরিচালক মো. ইসরাফিল মোর্তাজা (দ্বিতীয় বক্তা) এবং দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ভুঁঞা।
বিতর্কে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুবাইদা নুর খান, কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এবং কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী।
প্রতিযোগিতাটিতে শ্রেষ্ঠবক্তা নির্বাচিত হন পক্ষ দলের দলনেতা শরিফ হোসেন।
এছাড়া বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে এ উৎসবে অনুষ্ঠিত হয় একটি ‘পেশাজীবী বিতর্ক’। এর বিষয় ছিল ‘বাঙালিয়ানা ধারণে আমার পেশার ভূমিকা অগ্রগণ্য’। এতে বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে নিজ নিজ ক্ষেত্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন রাঁধুনি কাজী রেহেনা, ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান, কৃষক মুহাইমিনুল ইসলাম, সাহিত্যিক মমতাজ আক্তার হালিমা, কনটেন্ট নির্মাতা হাবিবুন্নাহার মৌরিন এবং সংগীতশিল্পী সানজিদা ফারিহা সুরভী।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএনডিএসের উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া। সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন সংগঠনের সিনিয়র সদস্য আবদুল কাদির তারেক, মাহবুব আলম ও আসাদুজ্জামান আসাদ।
বিতর্কের পাশাপাশি উপস্থিত দর্শকদের অংশগ্রহণে একটি কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনটি পরিচালনা করেন ভিক্টোরিয়া কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি সৌরভী সুলতানা। এতে প্রথম স্থান অধিকার করেন বিএনডিএসের সদস্য সাইদুর তাইফ।

