এবার কানাডাতেও দেখা দিয়েছে হান্টাভাইরাস আতঙ্ক। দেশটিতে প্রথমবারের মতো এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহে এক ব্যক্তিকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তিনি একটি প্রমোদতরীর যাত্রী ছিলেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বনি হেনরি জানান, আক্রান্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তি জ্বর, মাথাব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতাসহ হালকা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার শরীরে হান্টাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করতে নমুনা পাঠানো হয়েছে দেশটির জাতীয় জীবাণুবিজ্ঞান পরীক্ষাগারে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে বিমানবন্দর থেকেই সরাসরি পর্যবেক্ষণে নেওয়া হয়। ফলে তিনি সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে আসেননি।
জানা গেছে, যে প্রমোদতরী থেকে ওই ব্যক্তি এসেছেন, সেখানে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অন্তত ১১ জন হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হান্টাভাইরাস সাধারণত ইঁদুরের মলমূত্র, লালা বা বর্জ্যের মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। এটি সহজে মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমিত হয় না। তবে এবারের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে যুক্ত অ্যান্ডিস স্ট্রেইন খুব বিরল ক্ষেত্রে মানবদেহ থেকেও ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে এবারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ভাইরাসের ধরন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, বিরল এক ধরনের হান্টাভাইরাস সীমিত পরিসরে মানুষ থেকে মানুষেও ছড়াতে সক্ষম হতে পারে।
এ ঘটনায় কানাডাজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রমোদতরীর যাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র : টাইমস নাও ওয়ার্ল্ড

