ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জবাবে ইরান এখন মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা এই দুই দেশের স্থাপনা ও স্বার্থে আক্রমণ চালাচ্ছে। এতে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলো বলছে, তারা এমন এক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তাদের ভূমিকা ছিল না। তবু যুদ্ধের প্রভাব এখন তাদের ওপরও পড়ছে।
ইরানের ভেতরেও অনেকে মনে করছেন, তেহরানের এই প্রতিক্রিয়া অপ্রত্যাশিত নয়। উত্তর ইরানের এক বাসিন্দা বলেন, ইরান উপসাগরীয় দেশে হামলা করবে এটা অনুমেয় ছিল । কারণ বিশ্ব অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করা ছাড়া তেহরানের হাতে আর তেমন কোনো উপায় নেই।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সিকে বলেন, ইরান বেসামরিক বা আবাসিক এলাকাকে লক্ষ্য করে হামলা করছে না।
এদিকে দুবাইয়ে বিমানবন্দর, আবাসিক ভবন এবং বিলাসবহুল হোটেলগুলোর ধ্বংসাবশেষের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা এসব হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের ভেতরেও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে—যদি বর্তমান সরকার টিকে থাকে, তাহলে উপসাগরীয় দেশগুলো ভবিষ্যতে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক কীভাবে পরিচালনা করবে।
এর আগে ওমান এবং কখনও কখনও সংযুক্ত আরব আমিরাত পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার সময় ইরান ও পশ্চিমাদের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছিল।
ইরানের এক বাসিন্দা বলেন, যদি ইরানের বর্তমান সরকার টিকে থাকে, আমি মনে করি এতে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে—শুধু সরকারের জন্য নয়, আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্যও।

