ইরানের হামলা থেকে বাঁচতে ইসরায়েলের সহায়তা চেয়েছিল আমিরাত!

0
ইরানের হামলা থেকে বাঁচতে ইসরায়েলের সহায়তা চেয়েছিল আমিরাত!

ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়লে সংযুক্ত আরব আমিরাত সহায়তার জন্য মিত্রদের দ্বারস্থ হয়েছিল। সেই সংকটময় মুহূর্তে ইসরায়েল দ্রুত সাড়া দিয়ে তাদের বহুল পরিচিত ‘আয়রন ডোম’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আমিরাতে পাঠিয়েছিল। আইরন ডোম পরিচালনার জন্য ইসরায়েল সেনাও মোতায়েন করেছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরান আমিরাতের অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছিল। আবুধাবির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইরান মোট ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২,২০০–এর বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করে। যদিও অধিকাংশ হামলা প্রতিহত করা গিয়েছিল, তবুও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় আঘাত করেছিল। পরিস্থিতি গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠলে আমিরাতের নেতৃত্ব মিত্রদের কাছ থেকে দ্রুত সহায়তা চায়।

এই প্রেক্ষাপটে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু–এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। এরপর নেতানিয়াহু ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটি আয়রন ডোম ব্যাটারি এবং প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টরসহ একদল সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আমিরাত বহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করতে পেরেছিল।

ইসরায়েল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তাদের আয়রন ডোম ব্যবস্থা কোনো বিদেশি দেশে মোতায়েন করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বাইরে আমিরাতই একমাত্র দেশ, যারা সরাসরি এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে। সংকটকালীন এই সহায়তা দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতাকে আরও গভীর করে।

একই সময় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়াও বিভিন্নভাবে আমিরাতকে সহায়তা করেছিল। আমিরাতের এক কর্মকর্তা বলেন, এই অভিজ্ঞতা তাদের বুঝতে সহায়তা করেছিল—কে সংকটকালে প্রকৃত মিত্র হিসেবে পাশে দাঁড়ায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here