কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার তিক্ত স্মৃতি ভুলে এবার নতুন এক মিশন শুরু করতে যাচ্ছে বেলজিয়াম। মাঠে নামার আগে ফিফাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে দলের লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন দলটির কোচ রুডি গার্সিয়া। কেভিন ডি ব্রুইনেদের ৬২ বছর বয়সী কোচ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তারা কাউকেই ভয় পায় না।
বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়ামের তিন প্রতিপক্ষ হলো মিশর, ইরান ও নিউজিল্যান্ড। অতীতে এই তিন দলের কেউই কখনও বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের গণ্ডি পার হতে পারেনি। অন্যদিকে, দুইবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলেছে বেলজিয়াম। তবে এই পরিসংখ্যানের পরও প্রতিপক্ষকে সমীহ করছেন গার্সিয়া।
ফিফাকে গার্সিয়া বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার মধ্যে একটু পার্থক্য করতে হবে। এই মুহূর্তে আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার বা মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রুপ পর্বের বাধা পার হওয়া। আমরা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই পরের রাউন্ডে যেতে চাই, যাতে শেষ ৩২-এর সমীকরণটা আমাদের পক্ষে থাকে এবং সিয়াটলেই আমরা অবস্থান করতে পারি।
তিনি বলেন, গ্রুপের বাকি তিনটি দলের প্রতি আমাদের অগাধ সম্মান রয়েছে। আমরা মিশরকে খুব ভালো করেই চিনি, তারা আফ্রিকার অন্যতম সেরা দল। মোহাম্মদ সালাহ সম্পর্কে আমার খুব ভালো ধারণা আছে, কারণ রোমায় আমি নিজেই ওর কোচ ছিলাম। এছাড়া ইরান ও নিউজিল্যান্ডের শক্তি ও সামর্থ্য কেমন, তা মাঠে দেখার জন্য আমরা মুখিয়ে আছি।
স্কোয়াডে ইউরোপের এলিট ফুটবলের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একঝাঁক চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড় থাকায় নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা লুকিয়ে রাখেননি গার্সিয়া। তবে ভাগ্যের ছোঁয়াও যে নক-আউট পর্বে জরুরি, তা তিনি মনে করিয়ে দেন।
বেলজিয়াম বস বলেন, আমাদের নিশ্চিতভাবেই কাউকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ইতোমধ্যে খেলোয়াড়দের বলে দিয়েছি- আমাদের এই বিশ্বাসটা রাখতে হবে যে, আমরা বিশ্বের যেকোনো দলের সাথে একদম টেক্কা দিয়ে লড়াই করার সামর্থ্য রাখি।

