চলমান উত্তেজনার মধ্যেেই ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশ নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
তবে খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস(আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোনো ব্যক্তিকে আনার অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ফিফা বিশ্বকাপে দেশটির অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ দেশটির গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের আসতে নিষেধ করা হয়নি। ইরানের ক্ষেত্রে সমস্যাটা তাদের খেলোয়াড়দের নিয়ে নয়। সমস্যাটা হবে অন্য কিছু লোককে নিয়ে, যাদের তারা সঙ্গে আনতে চাইবে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের আইআরজিসি-এর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। আমরা হয়তো তাদের ঢুকতে দিতে পারব না, কিন্তু ক্রীড়াবিদদের নয়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, ইরান একদল আইআরজিসি সন্ত্রাসীকে আমাদের দেশে এনে সাংবাদিক ও অ্যাথলেটিক প্রশিক্ষক হিসেবে জাহির করতে পারবে না। ওয়াশিংটন আইআরজিসি-কে একটি ‘বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। রুবিওর পাশে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তার প্রশাসন ‘ক্রীড়াবিদদের প্রভাবিত করতে চায় না’।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আগামী ১১ জুন বিশ্বকাপ শুরু হতে চলেছে। ইরানের পরবর্তে ইতালিকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে স্থানীয় সময় বুধবার তেহরানে একটি সরকারপন্থী সমাবেশে ইরানি ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, আমরা বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি ও আয়োজন করছি, কিন্তু আমরা কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মেনে চলব।
সূত্র: আলজাজিরা।

