লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়

0
লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়

লক্ষ্মীপুরে বেশ কয়েকদিন ধরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাতের বেলায় বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে লোকালয়ে ঘর বাড়ির আঙ্গিনায় গাছ-গাছালীতে এর বিচরণ বাড়ে, দিনে অনেকটা উধাও হয়ে যায়। শরীরের বিষাক্ত লালা ছিটানো আর ফসলী বিভিন্ন গাছের লতাপাতা খেয়ে বংশ বিস্তার করছে তারা। এতে করে রাতের বেলা মানুষ চলাচলে ভীতি সৃষ্টিসহ ফসল রক্ষায় উদ্বিগ্ন ও বিস্ময় দেখা দিয়েছে জনমনে। পৌর শহর এলাকার কয়েকটি বাড়িতে এমন চিত্র এখন নিত্যদিনের ঘটনা।

সরজমিনে সমসেরাবাদ এলাকার কয়েকটি বাড়ি ঘুরে দেখা যায়, অন্ধকার রাত, প্রতিটি পা পড়তেই একের পর এক অদ্ভুত প্রাণী (শামুকের আকৃতি) ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সর্বত্রে। মাটিতে, রাস্তায়, ঘরের আঙ্গিনায় ও গাছগাছালিতে দেখা মিলছে অহরহ। ময়লার ভাগাড়েও শত শত শামুকের ন্যায় এসব প্রাণীতে ছেয়ে গেছে। একে অপরের সঙ্গে মিতালীতেও দেখা যায় তাদের। 

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ২০২৪ সালের বন্যার পর থেকে শামুকের মতো দেখতে লম্বা আকৃতির অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণ চোখে পড়ে তাদের। বিষাক্ত লালা গায়ে লাগলে চুলকানি ও ক্ষত রোগ সৃষ্টি হয়। এদের যন্ত্রনায় রাতে চলাফেরা করতে ভয়ভীতি লাগে সবার। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের নিয়ে চিন্তিত এখন সবাই। বিকেল থেকে রাতে ঘর থেকে বের হয় না শিশুরা।

স্থানীয়রা বলছেন, কেউ কেউ বলছেন, বাড়ির আঙ্গিনায় সবজি চাষ করে তা টিকিয়ে রাখা এখন দায়। রাতের বেলা এসব প্রাণী পাতা-লতা খেয়ে ফেলছে। এতে করে চরম অস্বস্তিকর ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে তাদের। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা হাসান ইমাম জানান, এটি এক ধরণের শামুক, যা কৃষকের জন্য ক্ষতিকর। এটি গাছের কচি পাতা-লতা খেয়ে ফেলে। এর থেকে পরিত্রাণে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার ও প্রাকৃতিকভাবে মোকাবিলা করার পরামর্শ দেন এ কর্মকর্তা। এছাড়া ডিমের খোসা ও কাঠের গুড়ো বাড়ির আঙ্গিনায় ছিটিয়ে রাখার পরামর্শও দেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here