কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে

0
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে

ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের কারণে কুড়িগ্রামে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এদিকে নীলফামারীতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেয়ায় তার প্রভাব পড়েছে তিস্তা নদী তীরের নীচু চরাঞ্চলে।

কুড়িগ্রামের স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড সোমবার দুপুর ৩টায় জানায়,গত ২৪ ঘন্টায় তিস্তা নদীর পানি সামান্য কমে কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার, দুধকুমার নদের পানি ৪৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এসব নদনদীর চর ও দ্বীপচরে পানি উঠেছে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি কিছুটা অপরবির্তিত রয়েছে। নদনদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীচু চরাঞ্চলে অবস্থিত আমন ধানের বীজতলা, শাকসবজি, পাট ও ভুট্টা খেতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
 
জেলার রাজারহাট উপজেলার চর গতিয়াসাম ও সরিষাবাড়ি এবং উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের চর গোড়াই পিয়ার ও রামনিয়াসার নীচু এলাকায় পানি উঠে প্লাবিত হচ্ছে।

জেলার রাজারহাট স্থানীয় কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার অফিস জানিয়েছে, আগামি ৭২ ঘন্টায় সবকটি নদনদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে পারে যা নদনদীর নিম্নাঞ্চলে তার প্রভাব পড়তে পারে। এদিকে, নিম্নাঞ্চল নিমজ্জিত হতে শুরু করায় সেখানকার কৃষকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে  কুড়িগ্রামের সবগুলো নদনদীর পানি বাড়লেও তিস্তার পানি তুলনামূলক বেশি বেড়েছিল। সোমবার  তিস্তার পানি  কমছে। কিন্তু অন্য নদনদীর পানি দ্রুত বাড়ছে তবে এই মুহূর্তে বন্যা পরিস্থিতির তেমন কোন শঙ্কা নেই। তিনি এক বার্তায় জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অংশের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেইট খুলে দেওয়ার ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলের তিস্তা অববাহিকায় আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বর্ষণ এবং ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চলে অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে সিলেট বিভাগের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here