বিশ্বকাপের উদ্বোধনীসহ এখন পর্যন্ত গ্রুপ পর্বের ২৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫টি গোল হয়েছে, যা ম্যাচপ্রতি গোলের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৩.১২৫। যা ১৯৫৮ সালের পর গ্রুপ পর্বের প্রথম পর্বের খেলায় এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
টুর্নামেন্টের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৪৮-দলের অংশহগ্রহণে এবারের আসরে উদ্বোধনী পর্বে মোট ৬০০টি শট নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২০০টি ছিল লক্ষ্যে। তুরস্কের আরদা গুলার সবচেয়ে সক্রিয় শুটার হিসেবে আটটি গোল করার জন্য চেষ্টা করেছেন।
৭৫টি গোলের মধ্যে ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি সাতটি গোল করে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার সুপারস্টার লিওনেল মেসি তিনটি গোল করে ব্যক্তিগত গোলদাতাদের তালিকায় আধিপত্য বিস্তার করেছেন।
টুর্নামেন্টের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত মোট ২২,৫২০টি পাস দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১৯,২৬৪টি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়ন স্পেন সবচেয়ে বেশি বল দখলে রাখা দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যারা ৮১১টি পাস সম্পন্ন করেছে—যা এই মেগা ইভেন্টে যেকোনো দলের করা সর্বোচ্চ পাস সংখ্যা।
উল্লেখ্য, মাসব্যাপী এই টুর্নামেন্টে গোল করতে না পারলেও, ২০০২ সালের আসরে তৃতীয় স্থান অর্জনের পর এবারের বিশ্বকাপ খেলছে তুরস্ক। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচে ৩০টি শট নিয়ে আক্রমণভাগের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে দেশটি। ওই ম্যাচে তুরস্ক ২-০ গোলে হেরে যায়।
অন্যদিকে দুইবারের চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে চলমান এই মেগা ইভেন্টের একটি ম্যাচে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৪২টি কর্নার আদায় করেছে। এছাড়াও, তারা একটি ম্যাচে ১৪টি কর্নার আদায় করে, যা টুর্নামেন্টের আরেকটি সেরা রেকর্ড।
সামগ্রিকভাবে প্রতিযোগিতায় এখন পর্যন্ত ২০৫টি কর্নার এবং ৭২টি অফসাইড রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, রেফারিরা উদ্বোধনী ২৪টি ম্যাচে ৫২টি হলুদ কার্ড এবং তিনটি লাল কার্ড দেখিয়েছেন। এছাড়াও, আইভরি কোস্টের উইঙ্গার আমাদ দিয়ালো সফল ড্রিবলের দিক থেকে টুর্নামেন্টে শীর্ষে রয়েছেন এবং জার্মানির জশুয়া কিমিখ দুটি অ্যাসিস্ট করে প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা প্লেমেকার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।

