সুরের মূর্ছনায় ফুটবলপ্রেমীদের নাচালেন শাকিরা

0
সুরের মূর্ছনায় ফুটবলপ্রেমীদের নাচালেন শাকিরা

মেক্সিকোর ঐতিহাসিক অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা উঠলো ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ-ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর নানা কারণে স্মরণীয়। এবার প্রথম ৪৮ দলের বিশ্বকাপ। তিনটি দেশ আয়োজক, ১০৪টি ম্যাচ।

ফুটবল বিশ্বকাপের পোস্টার গার্ল হিসেবে পরিচিত শাকিরার গানে ফুটবল মহাযজ্ঞের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুপ নেয় জমকালো আয়োজনে।অনুষ্ঠানের শুরুটা হয় মেক্সিকান পপ-ব্যান্ড মানাকে দিয়ে। দুর্দান্ত পরিবেশনায় দর্শকদের কাছেও দারুণ সাড়া পায় ১৯৮১ সালে গঠিত হওয়া ব্যান্ডটি।

এরপর মঞ্চে আসেন ভেনেজুয়েলার গায়ক ও গীতিকার ড্যানি ওশান। অবশ্য তিনি হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনির ‘ওশান’ নন। ২০০৯ সালে নিজের ইউটিউব চ্যানেল চালুর মাধ্যমে পেশাদার সংগীতজীবন শুরু করেন তিনি। অনেকের কাছে তিনি যেন ভেনেজুয়েলার জাস্টিন বিবার।

ঐতিহ্যবাহী মেক্সিকান পোশাকে সজ্জিত নৃত্যশিল্পীদের সঙ্গে ‘পার্তিদাজো’ গান পরিবেশন করেন এই শিল্পী। বিভিন্ন প্রজন্মের দর্শকদের উপভোগ করার মতো সংগীত ও আয়োজনে জমে ওঠে অনুষ্ঠান। এরপর মঞ্চে আসেন জে বালভিন, যিনি কার্ডি বি–র জনপ্রিয় গান ‘আই লাইক ইট’-এ অংশ নিয়েছিলেন। গানটিতে নাইজেরিয়ার শিল্পী বার্না বয়ও ছিলেন।
এত এত পরিবেশনার পরও একটা খামতি ছিল। সবাই অপেক্ষায় ছিলেন, কখন মঞ্চে উঠবেন শাকিরা।

অবশেষে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। কলম্বিয়ান পপ তারকা হাজির হলেন। গাইলেন বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং ‘লেটস গো’। শাকিরার সঙ্গে একই সুরে গলা মেলালো পুরো আজতেকা। আলোকসজ্জা, আতশবাজি এবং হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাসে মুখর আজতেকা স্টেডিয়াম মুহূর্তেই পরিণত হয় এক বিশাল উৎসবমঞ্চে।

শাকিরার প্রাণবন্ত নৃত্য ও কণ্ঠে মুগ্ধ হয়ে ওঠে উপস্থিত দর্শকরা। বিশাল এক ট্রফির প্রতিরূপ মাঠের মাঝখান থেকে উঠে আসে। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত শত শত নৃত্যশিল্পী মেক্সিকোর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন রঙিন পরিবেশনায়।

শাকিরার গানের পরই শেষ হয় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। এরপর উদ্বোধীন ম্যাচে মাঠে নামে স্বাগতিক মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here