দখলকৃত পশ্চিম তীরে সহিংসতার অভিযোগে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ে।
মঙ্গলবার এই ছয় দেশ সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে যৌথ এক বিবৃতি দিয়েছে।
বিবৃতি বলা হয়, “তারা ‘অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি’ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আরও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।”
নতুন করে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার পর দেশগুলো সতর্ক করে জানায়, যদি ইসরায়েল সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও জরুরি পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
যুক্তরাজ্য সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তাদের গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস স্যাংশনস রেজিমের আওতায় সাতজন নতুন ব্যক্তি ও সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব ব্যক্তি ও সংস্থা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংস কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল ব্যারো জানান, ফ্রান্সও তার মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দখলকৃত অঞ্চলে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সমন্বিত পদক্ষেপ আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলি বসতি স্থাপন নীতির ওপর চাপ বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিম তীর অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড ও নরওয়ে স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা, ইউকে সরকারি ওয়েবসাইট

