স্পেনের মার্বেয়ায় অবকাশযাপন করছিলেন জার্মানির তরুণ মিডফিল্ডার আসান ওয়েড্রাওগো। ঠিক সেই সময়ই জাতীয় দলের কোচ ইউলিয়ান নাগেলসমানের ফোনে বদলে যায় পরিস্থিতি। হঠাৎ পাওয়া সেই সংবাদে প্রথমে কিছুটা হতবাক হলেও পরে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার আনন্দে ভাসেন ২০ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
প্রথম ঘোষিত ২৬ সদস্যের জার্মানি দলে ওয়েদহাওগোর নাম ছিল না। তবে গত শুক্রবার শিকাগোতে অনুশীলনের সময় বাম উরুর মাংসপেশিতে চোট পেয়ে ছিটকে যান লেনার্ট কার্ল। তার পরিবর্তে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয় আরবি লাইপজিগের এই মিডফিল্ডারকে।
ক্লাবের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় দলের কোচের ফোন পাওয়ার সেই মুহূর্তের কথা স্মরণ করেন ওয়েড্রাওগো।
তিনি বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় ছুটিতে থাকার সময় জাতীয় দলের কোচের ফোন পাই। কোচ যখন জানালেন যে আমি এখন বিশ্বকাপ দলের সদস্য, তখন বিষয়টি বুঝে উঠতে কিছুটা সময় লেগেছিল। এরপরই দ্রুত নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নেওয়া শুরু করি।’
জার্মানির জার্সিতে এখন পর্যন্ত মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছেন ওয়েড্রাওগো। গত নভেম্বরে নাদিম আমিরির বদলি হিসেবে প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পান তিনি। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে বদলি নেমে দলের শেষ গোলটিও করেছিলেন এই তরুণ।
এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলার সুযোগ সামনে এসেছে তার।
ওয়েড্রাওগো বলেন, ‘এটি আমার জন্য বিশাল সম্মানের বিষয়। বিশ্বকাপে জার্মানির প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। এটি আমার শৈশবের স্বপ্নগুলোর একটি, যার জন্য আমি দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছি।’
একই সঙ্গে চোট পাওয়া সতীর্থ লেনার্ট কার্লের দ্রুত সুস্থতা কামনাও করেন তিনি।
চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি সর্বশেষ বিশ্বকাপ জিতেছিল ২০১৪ সালে। এবারের আসরে তারা ১৪ জুন হিউস্টনে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে। ‘ই’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ কোত দি ভোয়া ও একুয়েডর।

