গাইবান্ধার সাঘাটায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয়রা। ঘটনার সময় বিপ্লব নামের একজন পালিয়ে যায়।
শনিবার (৬ জুন) সকালে সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান। এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলার গাছাবাড়ী গ্রামের ম-লপাড়ার (চরপাড়া) এলাকার বুরুঙ্গী বিলে এ ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা কিশোরীসহ ৩ যুবককে আটক করে পুলিশে খবর দেয়, পরে অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করে থানা হেফাজতে নেয় পুলিশ।
আটকরা হলেন- লাবু মিয়া (২৫), নিরব মিয়া (২০) ও স্বধীন ব্যাপারী (২২)। তিনজনের বাড়ি গাছাবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকায়। ঘটনার সময় পালিয়ে যাওয়া বিপ্লব ওরফে ডিপজলের বাড়ি বোনারপাড়া ইউনিয়নের ফুটানির বাজর এলাকায়।
স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগী কিশোরী জানান, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের গাছাবাড়ী গ্রামের এনামুল ব্যাপারীর ছেলে মুক্তার মিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কে সূত্র ধরে মোবাইল ফোনে কথা বলতো। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে মোবাইলে নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে ভুক্তভোগী কিশোরী শয়ন ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ীর উঠানে মুক্তারের সঙ্গে কথা বলতে বের হয়। এ সময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা এই গ্রামের কয়েকজন যুবক তার মুখ চেপে ধরে বুরুঙ্গি বিলের নির্জন জায়গায় জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় এবং পরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন।
এসময় ভুক্তভোগী কিশোরীর কাছে থাকা মোবাইলফোন ও নগদ দুই হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন আভিযুক্তরা। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে ওই কিশোরীসহ ৩ যুবককে আটক করে একটি ঘরে আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। এ সময় বিপ্লব নামের একজন পালিয়ে যায়। পরে শনিবার সকালে সাঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ৩ জনকে আটক করে ও ভুক্তভোগী কিশোরীকে পুলিশ হেফাজতে নেন।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ৯৯৯ নম্বরে কল পাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ভুক্তভোগীসহ অভিযুক্তদের থানায় আনা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

