কিউবার প্রেসিডেন্ট ও পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

0
কিউবার প্রেসিডেন্ট ও পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

একসইসঙ্গে তার এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর পরিবারের কয়েকজন সদস্যের ওপরও নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি কিউবার সামরিক বাহিনী, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও একাধিক সংস্থাকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ইস্যুর পর কিউবার বিষয়েও ব্যবস্থা নেবে যুক্তরাষ্ট্র।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল অফিস (ওএফএসি) মিগেল দিয়াজ-কানেল, তার স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা এবং তার স্ত্রীর ছেলে ম্যানুয়েল আনিদো কুয়েস্তাকে বিশেষভাবে চিহ্নিত ব্যক্তি তথা স্পেশালি ডিজাইনেটেড ন্যাশনালস তালিকায় যুক্ত করেছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর ছেলে আলেহান্দ্রো কাস্ত্রো এসপিন এবং তার ছেলে রাউল আলেহান্দ্রো কাস্ত্রো কালিসকেও। এছাড়া কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় (মিনফার), কিউবার সামরিক বাহিনী এবং ‘কমিটি ফর দ্য ডিফেন্স অব দ্য রেভল্যুশন’ (সিডিআর)-এর ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে রাষ্ট্র-সমর্থিত খনিশিল্প প্রতিষ্ঠান মিনেরা লা ভিক্টোরিয়া এসএ, কিউবান ইনস্টিটিউট অব ফ্রেন্ডশিপ উইথ দ্য পিপলস (আইক্যাপ) এবং এর ভ্রমণবিষয়ক সহযোগী প্রতিষ্ঠান আমিসতুর কিউবা এসএ।

এদিকে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানসংক্রান্ত কার্যক্রম শেষ করার পর কিউবার বিষয়টি নিয়েও ব্যবস্থা নেবে ওয়াশিংটন। 

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ওটা (কিউবা) একরকম ভেঙে পড়েছে। আমরা কাজ শেষ করেই বিষয়টি দেখব। আমরা আগে ইরানের বিষয়টি সামলাব। তারপর ফেরার পথে সংক্ষিপ্তভাবে সেখানে (কিউবা) থামব।”

কিউবার পতন ত্বরান্বিত করতেই কি এসব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না’। তবে তিনি দাবি করেন, তার লক্ষ্য শুধু কিউবাকে এমন একটি দেশে পরিণত করা, যা সঠিকভাবে পরিচালিত হবে এবং নিজের জনগণকে খাদ্য সরবরাহ করতে পারবে।

তবে এ বিষয়ে হাভানার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এর আগে এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অভিযোগ করেন, কিউবা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক, আদর্শিক ও প্রাতিষ্ঠানিক যুদ্ধ’ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “এই নিষেধাজ্ঞাগুলো কিউবা সরকারের বিস্তৃত ও সহিংস উগ্র তৎপরতার নেটওয়ার্ক এবং যারা এগুলো বাস্তবায়ন ও অর্থায়ন করে তাদের লক্ষ্য করে দেয়া হয়েছে।” সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here